


তেহরান: জীবিত রয়েছেন আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের স্ত্রী মানসুরেহ খোজাস্তেহ বাগেরজাদে। এমনটাই দাবি করেছে ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যম ফার্স। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইজরায়েলের যৌথ আক্রমণে নিহত হন ইরানের সুপ্রিম লিডার খামেনেই। সেই হামলাতে তাঁর স্ত্রীরও মৃত্যু হয়েছে বলে সেসময় দাবি করেছিল একাধিক সংবাদমাধ্যম। নতুন সুপ্রিম লিডার নির্বাচিত হওয়ার পর বৃহস্পতিবারই প্রথমবার বিবৃতি দেন আয়াতোল্লা-পুত্র মোজতবা খামেনেই। সেই বিবৃতিতে পিতার মৃত্যুর উল্লেখ থাকলেও মায়ের সম্পর্কে কোনো তথ্য ছিল না। তার পরেই বাগেরজাদের মৃত্যু ঘিরে নতুন করে জল্পনা ছড়ায়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারির ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইরানের একাধিক সংবাদমাধ্যম দাবি করেছিল, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের সঙ্গে মৃত্যু হয়েছে বাগেরজাদেরও। অন্যদিকে, তাসনেম সংবাদ সংস্থার দাবি ছিল, নিহত সুপ্রিম লিডারের স্ত্রী কোমায় রয়েছেন। বৃহস্পতিবার ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্স জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাঘেরজাদে গুরুতর আহত হয়েছিলেন। তবে তাঁর প্রয়াণের খবরটি সঠিক নয়। আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের স্ত্রীর আহত হওয়ার খবরটি ভুলভাবে ব্যাখা করা হয়েছে।
১৯৬৪ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে খামেনেইয়ের সঙ্গে বিয়ে হয় বাগেরজাদের। তাঁদের ছ’জন সন্তান রয়েছে। একাধিকবার নিজের বক্তব্যে স্ত্রীর ভূমিকা উল্লেখ করে ইরানের প্রয়াত সুপ্রিম লিডার জানিয়েছিলেন, রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কঠিন দিনগুলিতে তাঁকে সাহায্য করেছেন বাগেরজাদে।