


ওয়াশিংটন: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে নিজের নোবেল পুরস্কার তুলে দিয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। তাই নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। পুরস্কারের এই হাতবদল একেবারেই আইন সম্মত নয় বলে জানিয়েছে নোবেল কমিটি। এবার এব্যাপারে সাফাই দিলেন স্বয়ং ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, মারিয়াই তাঁকে নোবেল মেডেল নেওয়ার জন্য প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এতে তাঁর কোনো ভূমিকা নেই। আটটি যুদ্ধ বন্ধের কৃতিত্বের জন্যই যে মারিয়া তাঁর হাতে ওই পুরস্কার তুলে দিয়েছেন, তা অবশ্য জানাতেও ভোলেননি ট্রাম্প।
অন্যের পুরস্কার তিনি কেন চান? শুক্রবার এই প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘উনিই (মারিয়া) আমাকে প্রস্তাব দিয়েছিলেন। আমার মনে হয়েছিল, এটা খুব সুন্দর প্রস্তাব। উনি আমাকে বলেছিলেন, আপনি আটটি যুদ্ধ থামিয়েছেন। ইতিহাসে আমার চেয়ে বেশি এই পুরস্কারের দাবি আর কারও নেই। এটা দারুণ বিষয়।’
বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে গিয়ে ট্রাম্পকে নোবেল পুরস্কার দেন মারিয়া। তা নিয়ে নিজের উচ্ছ্বাস গোপন করেননি ট্রাম্প। সমাজ মাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লেখেন, ‘উনি একজন অসাধারণ নারী, অনেক কষ্ট সহ্য করেছেন। আমার কাজের জন্য উনি নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার আমাকে দিয়েছেন। এটি পারস্পরিক শ্রদ্ধার এক অনন্য নিদর্শন।’ কিন্তু জল্পনা ছড়ায়, মারিয়া কি ট্রাম্পের রাগ ভাঙানোর চেষ্টা করছেন? কারণ, নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তারের পর মারিয়াকেই ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট করা হতে পারে বলে জল্পনা ছড়ায়। কিন্তু তার বদলে ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রডরিগেজকে অন্তর্বর্তী প্রধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়। কূটনৈতিক মহলের মতে, নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির ‘পাপে’ই ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপতি হিসেবে মারিয়াকে মেনে নিতে পারেননি ট্রাম্প।