


নয়াদিল্লি: শুধুমাত্র সন্ত্রাসবাদী আতঙ্ক নয়। দূষণেও নাভিশ্বাস দিল্লিবাসীর। যত সময় গড়াচ্ছে ভয়াবহ হচ্ছে বাতাসের গুণগত মান। দিল্লির মাত্রাতিরিক্ত দূষণ নিয়ে ফের একবার উদ্বেগ প্রকাশ করল সুপ্রিম কোর্ট। এই পরিস্থিতিতে মাস্ক পরে থাকাটাও যথেষ্ট নয়। এই কারণে সিনিয়র আইনজীবীদের ভার্চুয়াল শুনানিতে অংশগ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি পিএস নরসিমা। বৃহস্পতিবার বর্ষীয়ান আইনজীবীদের বিচারপতি বলেন, আপনারা কেন সশরীরে শুনানিতে অংশ নিচ্ছেন। আমাদের তো ভার্চুয়াল শুনানির ব্যবস্থাও রয়েছে। দূষণে বড়সড় ক্ষতির হাত থেকে বাঁচতে দয়া করে সেই সুবিধা নিন।
বিগত দিনগুলির মতো এদিনও ধোঁয়াশার চাদরে মুড়ে ছিল রাজধানী। সকালে বাতাসের মান ছিল ‘খুবই খারাপ।’ দিল্লির দূষণ পর্ষদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সকাল ৮টা নাগাদ আনন্দ বিহারে একিউআই নথিভুক্ত হয়েছে ৪৩১, চাঁদনি চকে ৪৫৫, অশোক বিহার ৩৪৮, দ্বারকা (সেক্টর-৮) ৪০০, নারেলা ৪৩২, এবং রোহিনীতে ৪৪৭। তবে সবথেকে খারাপ পরিস্থিতি বাওয়ানার। সেখানকার একিউআই ছিল ৪৬০। দূষণ বাড়তে থাকায় রাজধানীতে ইতিমধ্যে ‘গ্র্যাপ স্টেজ-থ্রি’ জারি করা হয়েছে। যার ফলে কার্যকর হয়েছে বিভিন্ন বিধিনিষেধ।
দিল্লির দূষণের অন্যতম কারণ হিসেবে ফসলের নাড়া পোড়ানোকে দায়ী করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে সবার শীর্ষে পাঞ্জাব ও হরিয়ানা। অচিরেই এই দুই রাজ্যকে ছাপিয়ে যেতে চলেছে মধ্যপ্রদেশ। ইন্ডিয়ান এগ্রিকালচার রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (আইএআরআই) অধীনস্থ কনসোর্টিয়াম ফর রিসার্চ অন অ্যাগ্রো ইকোসিস্টেম মনিটরিং অ্যান্ড মডেলিং ফ্রম স্পেস বা সিআরইএএমএস-এর রিপোর্টে বলা হয়েছে, বুধবার মধ্যপ্রদেশের বিভিন্ন কৃষি খেতে ১,০৫২টি খড় পোড়ানোর ঘটনা ঘটেছে। একইদিনে পাঞ্জাবে ৩১২টি এবং হরিয়ানায় ৭২টি নাড়া পোড়ানোর খবর মিলেছে। ছবি: এএফপি