


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আর জি কর কাণ্ডে ভাঙচুর, বিক্ষোভ, অবরোধ সংক্রান্ত তিনটি পৃথক মামলায় পুলিস ‘ফেরার’ দেখিয়ে সম্প্রতি চার্জশিট দিয়েছিল সিপিএম নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়সহ আটজন বাম নেতা‑নেত্রীর বিরুদ্ধে। পুলিসের বক্তব্য ছিল, তাঁদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কলকাতা পুলিসের দায়ের করা সেই তিনটি মামলার সূত্রেই সোমবার শিয়ালদহ কোর্টে আত্মসমর্পণ করে জামিনে নিলেন ওই নেতা‑নেত্রীরা। বিচারক প্রত্যককে এক হাজার টাকার জামিনে মুক্তি দেন। পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয় ২ সেপ্টেম্বর। অভিযুক্তদের তরফে আইনজীবী ইয়াসিন রহমানের অভিযোগ, ‘পুলিস রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতেই এই বাম নেতা‑নেত্রীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। শুধু তাই নয়, পুলিস ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের ধারা দেয়। সব থেকে হাস্যকর বিষয় হল, কী করে যে অভিযুক্তদের ‘ফেরার’ দেখিয়ে চার্জশিট দেওয়া হল সেটাই আশ্চর্যের বিষয়।’ যদিও সরকারি কৌঁসুলি বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিস ওই সমস্ত মামলা দায়ের করেছিল।’ তবে এদিন ‘ফেরার’ দেখিয়ে চার্জশিটের বিষয়ে সরকারি আইনজীবী কোনও মন্তব্য করেননি।
এদিকে, আর জি কর আর্থিক দুর্নীতি মামলায় সোমবার আলিপুরের সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে সাক্ষ্য দিলেন সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের এক প্রাক্তন স্টোর কর্তা। এই মামলায় হাসপাতালের বিভিন্ন সামগ্রী ও টেন্ডার সংক্রান্ত একাধিক বিষয়ে তিনি সাক্ষ্য দেন। এই মামলায় সিবিআইয়ের তরফে এই সাক্ষীকে এদিন জেরা করেন অভিযুক্ত অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের কৌঁসুলি সঞ্জয় দাশগুপ্ত। এদিন ওই জেরাপর্ব অসমাপ্ত থাকে। বিচারক সুজিতকুমার ঝা মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন ৪ সেপ্টেম্বর। এদিন শুনানি চলে ভার্চুয়ালের মাধ্যমে।