


লখনউ: মাস পাঁচেক আগে ধুমধাম করে বিয়ে হয়েছিল। সোমবার লখনউয়ের বাড়ি থেকে উদ্ধার হল যুবতীর ঝুলন্ত মৃতদেহ। নাম মধু সিং। মৃতের বাপের বাড়ির অভিযোগ, ১৫ লক্ষ টাকা পণ চেয়ে তাদের মেয়ের উপর লাগাতার অত্যাচার করত স্বামী অনুরাগ সিং। পণ না পেয়েই তাঁকে খুন করেছেন অনুরাগ। এমনকী তাঁর অন্য মহিলার সঙ্গেও সম্পর্ক ছিল। মধু অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে জোর করে গর্ভপাত করানো হয়। ঘটনার তদন্তে নেমে পেশায় মার্চেন্ট নেভি অফিসার অনুরাগকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। যদিও অভিযুক্তের দাবি, আত্মহত্যা করেছে মধু। ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ নেই। এমনকী জেরার সময় বারবার পুলিসের কাছে সিগারেট চেয়েছেন অভিযুক্ত।
চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিয়ে হয় মধু ও অনুরাগের। মধুর পরিবারের কথায়, বিয়ের সময় ১৫ লক্ষ টাকা পণ চেয়েছিলেন অনুরাগ। কিন্তু শুরুতে এত টাকা জোগাড় করা যায়নি। কোনওরকমে বিয়ে সম্পন্ন হলেও তারপর থেকেই স্ত্রীর উপর অত্যাচার শুরু করেন অভিযুক্ত। এর জেরে বাপের বাড়ি চলে আসেন মধু। পরে পণের টাকা দেওয়া হলেও যুবতীর উপর নির্যাতন চলতে থাকে। জানা গিয়েছে, অনুরাগের অন্য মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। মধু অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ায় জোর করে তাঁর গর্ভপাত করানো হয়।
সোমবার বিকেল সাড়ে চারটের দিকে মধুর বাবাকে ফোন করে আত্মহত্যার খবর দেন অনুরাগ। তিনি জানান, বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে গলায় দড়ি দিয়েছেন মধু। যদিও মধুর বাবার কথায়, মেয়েকে খুন করে মিথ্যা গল্প সাজিয়েছে অনুরাগ।