


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রশাসনিক বিভিন্ন কাজে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ব্যবহার করতে চলেছে নবান্ন। এবার রাজ্যের সামাজিক প্রকল্পের যোগ্য উপভোক্তা চিহ্নিত করতে এবং তার সঙ্গে উপভোক্তা তালিকার রিয়েল-টাইম আপডেট করতে এআই ব্যবহারের পথে হাঁটছে নবান্ন। সেই সঙ্গে একেবারে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে আরও স্বচ্ছভাবে জমি-বাড়ির ভ্যালুয়েশন করতেও এআই ব্যবহারের পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। এই কাজ করার জন্য এক্সপ্রেশন অব ইন্টারেস্ট বা দরপত্র ডেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্য অর্থদপ্তর। কী কী কাজের জন্য এআই প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে? জমি-বাড়ির ভ্যালুয়েশনের জন্য এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা ছাড়াও পুরনো বাংলায় হাতে লেখা দলিলের ডিজিটাইজেশনের জন্যেও এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। এর কারণে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে চেইন ডিড প্রস্তুতি এবং মিউটেশন প্রক্রিয়াও আরও সহজ হবে বলেও রাজ্যের তরফে দাবি করা হয়েছে। এছাড়াও, জনকল্যাণ প্রকল্পের পরিষেবায় এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে উন্নত বিতরণ ব্যবস্থার সুনিশ্চিত করা ছাড়াও যোগ্য উপভোক্তা শনাক্ত করা থেকে শুরু করে উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো বা ডিবিটি’র ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার। প্রশাসনিক মহলের ব্যাখ্যা, এর জেরে অযোগ্য উপভোক্তা যাচাই এবং এড়ানো যাবে। কারণ, এর মাধ্যমে একেবারে সয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে শিশু, বয়স এবং তাঁদের কাজের ভিত্তিতে উপভোক্তাদের শ্রেণিবদ্ধ করা হবে। যে সমস্ত এলাকায় প্রকল্প রূপায়ণের ক্ষেত্রে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন পড়বে তাও এআই দ্বারা চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।