


নিউ ইয়র্ক: এবার রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিশানায় লস্কর-ই-তোইবার ছায়া সংগঠন দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (টিআরএফ)। রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের রিপোর্টে সাফ জানানো হয়েছে, ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার সঙ্গে যোগ রয়েছে টিআরএফের। দু’বার তারা নিজেরাই হামলার দায় স্বীকার করেছে। পহেলগাঁওয়ের পর থেকেই টিআরএফকে নিশানা করেছে ভারত। তবে প্রতিবারই পাকিস্তানের কূটনৈতিক বাধার মুখে পড়তে হয়েছে ভারত সরকারকে। আর এর মাঝেই প্রথমবার কোনও রাষ্ট্রসঙ্ঘের রিপোর্টে টিআরএফের নাম উল্লেখ করা হল। এর ফলে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের কূটনৈতিক জয়ের স্বাদ পেল ভারত।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে হামলা চালায় পাঁচ জঙ্গি। ওইদিনই হামলার দায় স্বীকার করেছিল টিআরএফ। এমনকী হামলার পর পহেলগাঁওয়ের ছবিও প্রকাশ করে ওই সংগঠন। ২৩ এপ্রিল ফের হামলার দায় স্বীকার করে তারা। মোট দু’বার নিজেদের ঘাড়ে দায় নেওয়ার পর আচমকা ২৬ এপ্রিল তা প্রত্যাহার করে নেয়। কিন্তু ওরা ছাড়া আর কোনও সংগঠন সামনে এগিয়ে আসেনি। এ থেকেই স্পষ্ট, পহেলগাঁও হামলার নেপথ্যে রয়েছে টিআরএফ। আর লস্কর-ই-তোইবার সমর্থন ছাড়া পহেলগাঁওয়ের হামলা সম্ভব ছিল না।
পহেলগাঁও হামলার সঙ্গে কোনও যোগ নেই প্রমাণ করতে বিশ্বমঞ্চে মরিয়া প্রচেষ্টা চালিয়েছে পড়শি পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক মঞ্চে সেদেশের বিদেশমন্ত্রী থেকে শুরু করে সকলে দাবি করেছেন, লস্করের সঙ্গে টিআরএফের যোগ নেই। এমনকী লস্কর-ই-তোইবা নির্মূল হয়ে গিয়েছে। এই সমস্ত ঘটনার সঙ্গে পাকিস্তানের কোথাও কোনও যোগ নেই। এই পরিস্থিতিতে রিপোর্টটি সামনে আসতেই বিপাকে পড়েছে শাহবাজের দেশ। প্রসঙ্গত, চলতি মাসের ১৭ জুলাই টিআরএফকে ফরেন টেররিস্ট অর্গানাইজেশন (এফটিও) হিসেবে চিহ্নিত করার পাশাপাশি স্পেশ্যালি ডেজিগনেটেড গ্লোবাল টেররিস্টের (এসডিজিটি) তালিকায় নথিভুক্ত করেছে আমেরিকার বিদেশ দপ্তর।