


শ্রীনগর: পহেলগাঁও হামলার পর থেকেই ভারত-পাকিস্তানের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে। বিশেষ করে অপারেশন সিন্দুরের পর সীমান্তে লাগাতার হামলা চালিয়েছে পাকিস্তানি সেনা। আর এর জেরেই জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চে বহু পরিবার ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রিয়জনকে হারিয়ে এখনও শোকে ডুবে সেখানকার মানুষজন। শনিবার পুঞ্চে ক্ষতিগ্রস্ত সেই পরিবারগুলির সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তাঁদের খোঁজখবর নেওয়ার পর লোকসভার বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘অত্যন্ত বেদনাদায়ক পরিস্থিতি। পাকসেনার হামলায় বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। আজ আমি তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁদের সমস্যাগুলি বোঝার চেষ্টা করেছি। এখান থেকে ফিরে তাঁদের যাবতীয় সমস্যার কথা তুলে ধরব। তাঁদের দাবিগুলি জাতীয় স্তরে উত্থাপন করব। প্রিয়জনদের হারানোর বেদনা এখনও তাঁদের চোখের কোণে লেগে রয়েছে। আসলে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হলে প্রতিবার এই মানুষগুলোকেই খেসারত দিতে হয়। তাঁদের সাহসকে কুর্নিশ জানাই।’ এদিন সকালে প্রথমে জম্মু বিমানবন্দরে পৌঁছন রাহুল গান্ধী। পরে সেখান থেকে একটি হেলিকপ্টার করে পুঞ্চের উদ্দেশে রওনা দেন। তারপর সেখানকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির লোকজনের সঙ্গে দেখা করেন। পাকসেনার হামলায় প্রাণ হারিয়েছিল ১২ বছরের যমজ ভাইবোন উরবা ফতিমা ও জৈন আলি। এদিন তাদের স্কুলে পৌঁছন কংগ্রেস নেতা। কথা বলেন উরবা ও জৈনের সহপাঠীদের সঙ্গে। খুদেদের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, ‘চিন্তার কিছু নেই। দ্রুত সব ঠিক হয়ে যাবে। মন দিয়ে পড়াশোনা করে যাও। খেলাধূলা করো, নতুন নতুন বন্ধু তৈরি কর।