


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মাধ্যমিকের ভৌতবিজ্ঞান পরীক্ষার দিন ফিরল মোবাইল নিয়ে দল বেঁধে টোকাটুকির ছবি। সোমবার অঙ্ক পরীক্ষায় মোবাইলসহ আটজন ধরা পড়লেও এই জোটবদ্ধ উদ্যোগের ছবি দেখা যায়নি। মঙ্গলবারের পরীক্ষায় ধরা পড়েছে ১০ জন। শুধু আলিপুরদুয়ারের মধু টি ই হাইস্কুলেই মোবাইলসহ ধরা পড়েছে চারজন। তাদের মধ্যে তিনজন পুনম চন্দ মিত্তল মেমোরিয়াল হাইস্কুলের পড়ুয়া। আর একজন ইনার হার্ট সেকেন্ডারি হাইস্কুল থেকে পরীক্ষা দিতে এসেছিল। পরীক্ষার আগে এবং চলাকালীন মধ্যশিক্ষা পর্ষদ মোবাইল আনার বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তা সত্ত্বেও এতে কোনো বিরাম নেই। এই ধারাকে উদ্বেগজনক বলেই মনে করছে শিক্ষামহল। নদীয়াতেও এদিন তিন পরীক্ষার্থী মোবাইলসহ ধরা পড়েছে। যদিও তারা পৃথক স্কুলের। সেনপাড়া রাধারানি হাইস্কুল, জামশেদপুর বিএন হাইস্কুল এবং দারাপুর হাইস্কুলে যথাক্রমে করিমপুর জগন্নাথ হাইস্কুল, করিমপুর গার্লস হাইস্কুল এবং রাজারমাঠ রামকৃষ্ণ আদর্শ হাইস্কুলের পরীক্ষার্থী মোবাইল ফোন নিয়ে ধরা পড়েছে। হুগলি গার্লস হাইস্কুলে এলিট কো-এড স্কুলের এক পরীক্ষার্থী মোবাইল নিয়ে ধরা পড়েছে।
পরীক্ষার শুরু থেকে কোচবিহারেও এই ঘটনা অব্যাহত। সেখানে গোসাইরহাট হাইস্কুলের এক পরীক্ষার্থী ডাকঘরা হাইস্কুলে মোবাইলসহ ধরা পড়েছে। পূর্ব বর্ধমান জেলার গলসি কালীমাটি দেবী হাইস্কুলেও মোবাইল নিয়ে ধরা পড়েছে সাঁকো চন্দ্রশেখর হাইস্কুলের এক পরীক্ষার্থী। এবছর আরো তাৎপর্যপূর্ণ চিত্র এই যে, মোবাইলসহ ধরা পড়া ছাত্রীর সংখ্যা ছাত্রদেরই কাছাকাছি! ছাত্রী হিসেবে তল্লাশির সময় কিছু ছাড়ের সুযোগ নিয়েই তারা মোবাইল নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢুকে পড়তে পারছে বলে দাবি পর্ষদ এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের। অন্যদিকে, এদিন প্রশ্নপত্র ছিঁড়ে ফেলায় উত্তর দিনাজপুর জেলার একটি স্কুলে একজন পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র রিপোর্টেড এগেইন্সট (আরএ) হয়েছে। বিভিন্ন কারণে ৮১ জন হাসপাতাল থেকে ভৌতবিজ্ঞান পরীক্ষা দিয়েছে।