


চেন্নাই: ভোটার তালিকার স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) -এ কাজের চাপ নিয়ে অসন্তোষ। এবার এসআইআর সংক্রান্ত সমস্ত কাজ বয়কটের ডাক দিলেন তামিলনাড়ুর রাজস্ব বিভাগের কর্মীরা। তামিলনাডুর ফেডারেশন অব অ্যাসোসিয়েশনস অব রেভিনিউ এমপ্লয়িজ জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার থেকে এসআইআর সংক্রান্ত কোনও কাজ করা হবে না। সংগঠনের দাবি, অতিরিক্ত কাজের চাপ, যথাযথ প্রশিক্ষণের অভাব সহ নানা সমস্যার কারণে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে তারা। এই নিয়ে রাজ্যজুড়ে আন্দোলনেরও ডাক দিয়েছে কর্মী সংগঠন।
আরও বেশি বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও) নিয়োগ, উপযুক্ত প্রশিক্ষণের দাবি জানিয়েছে সংগঠন। সময়সীমা নিয়েও অভিযোগ করেছেন কর্মীদের একাংশ। তাদের দাবি, মাঝরাত অবধি রিভিউ মিটিং হচ্ছে। দিনে তিনবার ভিডিও কনফারেন্স করছেন প্রশাসনের আধিকারিকরা। এতে অস্বাভাবিক চাপ তৈরি হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে কর্মী সংগঠনের দাবি, কয়েকজন কালেক্টর রিভিউ মিটিংয়ের নামে অধস্তন কর্মীদের হয়রানি করছেন। এ বিষয়ে অবিলম্বে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তাঁরা।
আগামী ৪ ডিসেম্বরের পর্যন্ত এসআইআর ফর্ম বিতরণ-সংগ্রহ এবং অনলাইনে আপলোড করা যাবে। সংগঠনের দাবি, এমন গুরুত্বপূর্ণ কাজ তাড়াহুড়ো করে শেষ করা হচ্ছে। শুধু রাজস্ব বিভাগের কর্মীরাই নয়, অঙ্গনওয়াড়ি, পুরসভা, স্কুল শিক্ষক সহ অন্যান্য সরকারি বিভাগের কর্মীরাও এসআইআর বয়কটের আন্দোলনে যোগ দেবেন বলে খবর। এই তালিকায় থাকতে পারেন তহসিলদার, ভিএও, গ্রাম সহায়ক, সার্ভেয়ার, ইনস্পেক্টর এবং অফিস সহায়করাও।
এই ঘটনায় রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিক্রিয়াও সামনে এসেছে। তামিলনাড়ুর শাসকদল ডিএমকের নেতা টি কে এস ইলঙ্গোভান বলেন, ‘এসআইআরের সময়সীমা মাত্র এক মাস। ৪ ডিসেম্বরের মধ্যেই কাজ শেষ করতে হবে। এজন্য বিএলওরা প্রবল চাপে রয়েছেন।’ তাঁর দাবি এসআইআরের সময়সীমা বাড়ানো হোক। তবে বিজেপির অভিযোগ, ডিএমকে ইচ্ছাকৃত গোলমাল করছে। এসআইআর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সরকারকে সহযোগিতা করতে হবে।