


সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: জোয়ারের পর ভাটা শুরু হতেই ধসের কবলে নদী বাঁধের সামনের জমি। প্রায় ১৫০ ফুট এলাকা নদীগর্ভে তলিয়ে গিয়েছে বলে গ্রামবাসীদের দাবি। কোথাও বাঁধের নিচের অংশের মাটি গিয়েছে ধসে। ফলে যে কোনও মুহূর্তে পুরো বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে কাকদ্বীপের রামগোপালপুর পঞ্চায়েতের মন্দিরঘাটে। সোমবার ভোরে বিকট শব্দ কানে যায় সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের। এরপরই গ্রামবাসীরা বাড়ি ছেড়ে বাইরে আসেন। দেখেন, ছোট এবং বড় আকারের গাছ সহ বাঁধের সামনে অংশের মাটি নদীগর্ভে চলে গিয়েছে। তা দেখার পর ব্যবসায়ীরা দোকানের জিনিসপত্র সরিয়ে নেন। গ্রামবাসীদের দাবি, ‘বাঁধ এখনই স্থায়ীভাবে মেরামত করতে হবে।’ এদিন বিকেলে প্রশাসনের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে যান। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, বাঁধের নিচের অংশের মাটি ফাঁকা হয়ে গিয়েছে। যে কোনও মুহূর্তে ওই অংশ নদীগর্ভে তলিয়ে যেতে পারে। সেই ভয়ে বাঁধের কাছে থাকা একটি দোকান সম্পূর্ণ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও আরও একটি দোকানের মালপত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। গ্রামবাসীরা অত্যন্ত আতঙ্কে রয়েছেন। এই নদী বাঁধের আরও ২০০ মিটার অংশজুড়ে ফাটল দেখা দিয়েছে। বিষয়টি সব দপ্তরে জানানো হয়েছে। বলরাম পাত্র নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘এই এলাকায় নদীর প্রবল স্রোত। এছাড়াও অমাবস্যার কোটাল থাকার কারণে নদীর জল বেড়ে গিয়েছিল। ভাটা পড়তেই বিকট শব্দ করে বাঁধের সামনের অংশের মাটি ধসে নদীগর্ভে চলে যায়।’ কাকদ্বীপ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি সত্যব্রত মাইতি বলেন, ‘বস্তায় মাটি ভরে ভাঙা অংশে ফেলে মেরামতের কাজ চলছে। পরবর্তী সময় স্থায়ীভাবে ওই জায়গা মেরামত করার চিন্তাভাবনা হবে।’ নিজস্ব চিত্র