


সংবাদদাতা, বনগাঁ: নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে অনুষ্ঠান করতে আসেন প্রাক্তন সাংসদ তথা অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। অনেক রাত হয়ে যাওয়ায় স্বভাবতই অসন্তুষ্ট হন উদ্যোক্তা থেকে শ্রোতারা। শেষমেশ রাত ১২টা নাগাদ মিমির অনুষ্ঠান চলাকালীন উদ্যোক্তারা অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। গত রবিবার বনগাঁর ওই অনুষ্ঠানে অপমানিত ও হেনস্তার শিকার হয়েছেন, এই অভিযোগ এনে ই-মেল মারফত বনগাঁ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন মিমি চক্রবর্তী। তার ভিত্তিতে তদন্তে নেমে পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে এলাকায় তদন্ত করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়তে হয় পুলিশকে। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন নামকরা জ্যোতিষী তনয় শাস্ত্রী, তাঁর ছেলে এবং এক প্রতিবেশী। তনয় শাস্ত্রীর নামে এফআইআর দায়ের হয়েছে।
বৃহস্পতিবার পুলিশ ঢাকাপাড়া এলাকায় তনয় শাস্ত্রীর বাড়িতে যায়। অভিযোগ, সেই সময় স্থানীয়দের বাধার মুখে পড়তে হয় পুলিশকে। পুলিশের সঙ্গে বচসা হয় এলাকার বাসিন্দাদের। শেষমেশ মূল অভিযুক্ত সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিনেত্রীকে হেনস্তার বিষয়ে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এদিকে,
তনয় শাস্ত্রীর আইনজীবী মনোজকুমার সাহা বলেন, কোনো নোটিস ছাড়াই পুলিশ অতি সক্রিয় হয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে সব অভিযোগই জামিনযোগ্য। ফলে তিনি সহজেই জামিন পেয়ে যাবেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই এলাকার এক মহিলা বলেন, রাত ১২টার পর অনুষ্ঠান করার পুলিশি অনুমতি ছিল না। তাই উদ্যোক্তাদের তরফে ১২টার সময়ে অনুষ্ঠান শেষ করে দেওয়া হয়। মিমি চক্রবর্তী নিজে দেরি করে এসে এখন মিথ্যা অভিযোগ এনেছেন। ধৃত তনয় শাস্ত্রী।