


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিজেপি নেতারা যেভাবে অস্ত্র রাখার হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন, তা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। তুমুল বিতর্কও তৈরি হয়েছে। সমালোচনার ঝড় উঠেছে সমাজের বিভিন্ন স্তর থেকে। গত কয়েকদিন ধরেই দেখা যাচ্ছে, রাজ্য বিজেপির প্রথম সারির নেতারা ‘ঘরে অস্ত্র রাখার’ নিদান দিচ্ছেন। একেবারে প্রকাশ্যে সবার উদ্দেশে এই বার্তা দিচ্ছেন বিজেপি নেতারা। এই তালিকায় নাম লিখিয়েছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও। তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘সাধারণ হিন্দুরাও অস্ত্র রাখতে পারে। অস্ত্র রাখা উচিত। আমার বাড়িতে অস্ত্র আছে। সবাইকে অনুরোধ করব, বাড়িতে অস্ত্র রাখুন।’
সুকান্তর বক্তব্যের ভিডিও তুলে ধরে সমালোচনায় সরব হয়েছে তৃণমূল। জোড়াফুল শিবিরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সুকান্ত মজুমদার উস্কানি দিচ্ছেন বাড়ি বাড়ি অস্ত্র রাখার জন্য। তিনি আইনশৃঙ্খলা লঙ্ঘন করেছেন এবং সরাসরি হিংসায় প্ররোচনা দিয়েছেন বলে অভিযোগ তৃণমূলের। তাই আইন অনুযায়ী সুকান্তর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছে রাজ্যের শাসক দল। দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, ‘গণতন্ত্র আছে বলে যা ইচ্ছে তাই বলে যাবে, তা হতে পারে না। আইনের আওতায় রাখা উচিত বিষয়টি।’ এনিয়ে মন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, বিজেপির ডিএনএ-তে অস্ত্র আছে। তাই শুধু অস্ত্র আর ধর্মীয় বিভাজনের রাজনীতির কথা বলেন বিজেপি নেতারা। মধ্যযুগীয় শাসনের মতো বিজেপি এখন ফতোয়া জারি শুরু করেছে।