


নিজস্ব প্রতিনিধি কলকাতা: এসআইআরের শুনানি পর্বে পশ্চিমবঙ্গে আরও প্রায় দু’হাজার মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। আগের মতোই রাজ্যের কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদেরই মাইক্রো অবজার্ভার হিসেবে নিয়োগ করা হবে। নবনিযুক্ত মাইক্রো অবজার্ভারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে আগামী বৃহস্পতিবার। জানিয়েছে রাজ্যের সিইও দপ্তর।
শুধু মাইক্রো অবজার্ভারই নয়, বাড়ছে শুনানি কেন্দ্রও। এবং সেইসঙ্গে শুনানির কাজে নিযুক্ত এইআরও’র সংখ্যাও বাড়তে চলছে বলে খবর। কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, শুনানির কাজে গতি আনতেই আরও মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ থেকে শুরু করে শুনানি কেন্দ্র এবং এইআরও বৃদ্ধি করা হচ্ছে। শুনানি শুরুর আগে ৪৬০০ জন মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ করা হয়। এবার আরও দু’হাজারের কাছাকাছি মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, বাগনান-২ ব্লক ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অফিসার মৌসম সরকারকে শোকজ করতে বলল কমিশন। হাওড়ার ডিইও’কে ওই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, এই ব্যাপারে ডিইও’কে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে রিপোর্ট দিতে হবে। গত বৃহস্পতিবার ভোটারদের ‘হয়রানি’র প্রতিবাদে মৌসম এইআরও পদ ছাড়তে চেয়ে ইস্তফাপত্র পাঠান। হাওড়ার জেলাশাসক তথা ডিইও পি দিপাপ্রিয়া, উলুবেড়িয়ার এসডিও এবং অন্য নির্বাচনি আধিকারিকের কাছেও তিনি তাঁর ইস্তফাপত্র পাঠান। এরপরই তাঁকে হুঁশিয়ার করে কমিশন। এবার তাঁকে শোকজ করতে বলা হল।
অন্যদিকে, এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনি আধিকারিক (সিইও) মনোজকুমার আগরওয়ালের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর ছড়িয়ে পড়ল সামাজিক মাধ্যমে! নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি ফেসবুক পোস্টে সিইও’র নম্বর প্রকাশ করে এসআইআর নিয়ে সরাসরি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়। ঘটনাটি নিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হবে বলে জানিয়েছেন সিইও।