


ওয়াশিংটন: বিতর্ক আর ডোনাল্ড ট্রাম্প হাত ধরাধরি করে চলে। মার্কিন প্রেসিডেন্টকে নিয়ে এ অভিযোগ অনেক দিনের। রবিবার উইকিপিডিয়ার একটি স্ক্রিনশট শেয়ার করে সেই বিতর্ক তিনি বাড়িয়ে দিলেন বহুগুণ। ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা স্ক্রিনশটে নিজেকে ‘ভেনেজুয়েলার তদারকি প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে দেখিয়েছেন তিনি। উইকিপিডিয়া তাঁকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বীকার করেনি। তাহলে এর অর্থ দাঁড়ায় একটিই— বিকৃত তথ্য প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। স্বয়ং প্রেসিডেন্ট এমন কাণ্ড কেন ঘটালেন, তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকেই বলছেন, সস্ত্রীক মাদুরোকে ভেনেজুয়েলা থেকে তুলে এনেও সেখানে এখনও বশংবদ সরকার প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি আমেরিকা। সে দেশের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তদারকি সরকারের প্রেসিডেন্ট হয়েছে প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রডরিগেজ। তিনি মাদুরো সরকারের নীতিই বহাল রাখার কথা ঘোষণা করেছেন। এই পরিস্থিতিতে আগামী দিনে বড়োসড় কোনও পদক্ষেপের ইঙ্গিত ট্রাম্প দিয়ে রাখলেন বলে মনে করা হচ্ছে। সেইসঙ্গে মাদুরো পরবর্তী ভেনেজুয়েলার দণ্ডমুণ্ডের কর্তা যে তিনিই, এই পোস্টের মাধ্যমে এমনই বার্তা ট্রাম্প দিয়েছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের শেয়ার করা ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলার তদারকি প্রেসিডেন্ট তিনি। অন্যদিকে আমেরিকার ৪৫ এবং ৪৭তম প্রেসিডেন্ট তিনি। ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি থেকে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট রয়েছেন। তাঁর ডেপুটি হিসেবে জে ডি ভান্সের নামও জ্বলজ্বল করছে।
ভেনেজুয়েলার শাসনভার এখন কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে মার্কিন নেতৃত্বের মধ্যেও দোলাচল স্পষ্ট। অভিযান চালিয়ে কারাকাসের প্রাসাদ থেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে সরিয়ে আনার দিনেই ট্রাম্প দাবি করেন, আমেরিকাই ভেনেজুয়েলা চালাবে। তাঁর কথায়, ‘যতক্ষণ না একটি নিরাপদ, সঠিক এবং ন্যায়সঙ্গত ক্ষমতা হস্তান্তর হয়, তততদিন আমরাই ভেনেজুয়েলা চালাব।’ পরে অবশ্য মার্কিন বিদেশ সচিব মার্ক রুবিও জানান, আমেরিকা সরাসরি ভেনেজুয়েলা শাসন করবে না। বরং সে দেশের তেল যাতে আমেরিকা পায়, তার চেষ্টা চালানো হবে।