


সংবাদদাতা, হবিবপুর: পাঁচ শতাধিক আধার কার্ড,প্যান কার্ড সহ পোস্ট অফিসের বিভিন্ন নথি পড়ে থাকার ভিডিও (সত্যতা যাচাই করেনি ‘বর্তমান’) ভাইরাল স্যোশাল মিডিয়ায়। যা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।
মঙ্গলবার সকালে হবিবপুর ব্লকের আকতৈল গ্রাম পঞ্চায়েতের কেন্দপুকুরের চিল্লাহারে এই ঘটনার পর কর্মীদের দিকে আঙুল তুলেছেন বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি,বিলি না করে কার্ডগুলি জমিয়ে রেখে এখন ফেলে দেওয়া হচ্ছে। পোস্ট অফিসের মালদহ পূর্ব সার্কেলের দায়িত্বে থাকা এক আধিকারিক বলেন, বিষয়টি জানা নেই। অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা সঞ্জয় মার্ডি বলেন, সুশীল টুডুর বাড়িতে পোস্ট অফিসের দুই বস্তা আধার কার্ড সহ অনেক নথি পড়ে ছিল। কর্মীরা বিলি না করে সেগুলি ফেলে দিয়েছেন বলে মনে হচ্ছে। এবিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।
বাসিন্দারা জানিয়েছেন,চিল্লাহার এলাকায় অনেক বছর পোস্ট অফিসের একটি শাখা ছিল। সম্প্রতি সেটি বিনোদপুরে সরানো হয়েছে। চিল্লাহারে থাকাকালীন চিঠিপত্র বিলির দায়িত্বে ছিলেন হরেশ চন্দ্র রায়। বর্তমানে তিনি পার্শ্ববর্তী খড়িবাড়ি এলাকার পিওন। হরেশ চিল্লাহারে দায়িত্বে থাকাকালীন চিঠিপত্র পৌঁছে দেওয়ার জন্য সুশীলকে কিছু টাকার বিনিময়ে ব্যক্তিগতভাবে কাজে লাগিয়েছিলেন। সম্প্রতি শাখার জায়গা পরিবর্তন করার সময় নথিগুলি সুশীলকে বিলি করে দিতে বলা হয়। হরেশ বলেন, আমার অসুস্থতার জন্য সুশীলকে কাজে রেখেছিলাম। দু’জন মিলেই চিঠি বিলির কাজ করতাম। পুরনো কিছু চিঠি হয়তো তাঁর কাছে রয়েছে। সেগুলি অফিসে জমা করে দেওয়া হবে।
সুশীল বলেন, হরেশ মাসিক পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে পোস্ট অফিসের চিঠি বিলি করার কাজ দিয়েছিলেন। যে সব জিনিস বিলি হয়নি, সেগুলি অফিসে জমা দেওয়ার জন্য বাইরে রোদে রেখেছিলাম। সেই সময় হয়তো কেউ ভিডিও করে ছড়িয়ে দিয়েছে। • নিজস্ব চিত্র।