


আমাজন প্রাইম ভিডিও-তে মুক্তি পেয়েছে ‘গ্রাম চিকিৎসালয় সিজন ২’। প্রথম সিজনের মতো এতেও প্রশংসা পাচ্ছেন অমল পরাশর। তাঁর সঙ্গে আড্ডায় উঠে এল নানা কথা।
• প্রথম সিজনের সাফল্য কি দায়িত্ব বাড়িয়েছে?
•• আগের সিজনের মতো ভালোলাগাটা এবারেও থাকুক, এই চাপটা লেখক, পরিচালকদের উপর থাকেই। আমাদেরও দায়িত্ব বাড়ে।
• সিজন টু আসবে, এমন আত্মবিশ্বাস কি প্রথম থেকেই ছিল?
•• আমরা সবসময় ভালো কাজ করার চেষ্টা করি। তবে সিজন টু হবে কি না, সেটা আগে থেকে নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।
• প্রথম কাজ পেতে কতখানি পরিশ্রম করতে হয়েছিল?
•• আসল বিষয়টি হল ধৈর্য। একজন অভিনেতার জীবনের বড়ো অংশই ভালো চরিত্রের জন্য অপেক্ষা করতে করতে কেটে যায়। আমি ২০০৮ সালে মুম্বইয়ে এসেছিলাম, কিন্তু ‘ট্রিপলিং’ মুক্তি পায় ২০১৬ সালে। এই আট বছরে অসংখ্য অডিশন দিয়েছি। ছোটো বিজ্ঞাপন, শর্টফিল্ম করেছি। অনেক কাজ মাঝপথে বন্ধও হয়ে গিয়েছে। মাঝে হাতে কাজ ছিল না। তবু প্রতিদিন নতুন করে বেরিয়ে নিজের কাজ দেখানোর চেষ্টা করেছি।
• গ্রামীণ নাকি শহুরে, কোন চরিত্রে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন?
•• আমার কাছে সেটা আসল বিষয় নয়। চরিত্রটি কতটা ভালোভাবে লেখা হয়েছে, সেটাই প্রাথমিকভাবে মাথায় রাখি।
• দেশজুড়ে গ্রামীণ স্বাস্থ্য পরিষেবার বেহাল অবস্থা নিয়ে কী বলবেন?
•• আমার বিশ্বাস, চিকিৎসার মতো মৌলিক পরিষেবা প্রত্যেক মানুষের জন্য সমানভাবে সহজলভ্য হওয়া উচিত। অনেক জায়গায় সেই পরিবর্তন আসছে।
• কর্পোরেট চাকরির নিরাপদ জীবন ছেড়ে অভিনয়ে এলেন কেন?
•• হয়তো নিজের পায়ে নিজেই কুড়ুল মেরেছিলাম। আরামদায়ক জীবন ছেড়ে নতুন চ্যালেঞ্জ নেওয়ার ইচ্ছাই আমাকে টেনেছিল। তবে একদিনে চাকরি ছাড়িনি। ভেবেছিলাম, ছ’মাস বা এক বছর চাকরি আর অভিনয়, দুটোই একসঙ্গে চালিয়ে দেখব। কিন্তু থিয়েটার আর অভিনয়ের প্রতি ভালোবাসা এতটাই বেড়ে গেল যে আর ফেরার কথা ভাবিনি।
• ফিরে যেতে ইচ্ছা হয়নি?
•• না। কোনো না কোনো নতুন সুযোগ সব সময়ই এসেছে।
দেবারতি ভট্টাচার্য • মুম্বই