


• প্রদ্যোত সরকারি চাকুরে। জীবনটা তার একরকম ভাবে চলছিল। মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান হয়ে জন্মালে যেমন চলে। দিন দিন জীবনচক্রটা কেমন জং ধরা চাকার মতো হয়ে উঠেছিল। কর্মক্ষেত্রে চাপ, একাকীত্ব, মানসিক বিচ্ছিন্নতা প্রদ্যোতকে অস্তিত্ব সংকটের মধ্যে ফেলে দেয়। হতাশা মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত করে তোলে। চারপাশের চাপ তাকে ভয়ংকর দ্বন্দ্বের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়। তার চারদিকে পরিচিত মুখগুলি মুখোশ হয়ে ওঠে। সব সম্পর্ক কৃত্রিম। সর্বত্র স্বার্থপরতার জাল বিছানো, অন্তঃসারশুন্যতা তাকে কুড়ে কুড়ে খায়। চাপের মুখে জীবনকে সে নিজের পথেই ছেড়ে দেয়। স্বাভাবিক ভাবে যে পথে এগোয় জীবন তার ভিত্তিতে রচিত হয় ‘বিবর’ তথা অন্তঃসারশূন্য অন্ধকার। জীবনের ঘাত প্রতিঘাতে বদলে যায় প্রদ্যোত। ‘কলিকথা’ নাট্যদলের পরিচালক স্পন্দন মুখোপাধ্যায় ‘বিবর ‘ মঞ্চায়ন করে সাহিত্যিক সমরেশ বসু ও নাট্যকার বাদল সরকারকে জন্ম শতবর্ষে শ্রদ্ধা জানান। বদলে যাওয়া প্রদ্যোতকে এক অনবদ্য মাত্রায় তুলে ধরেছেন গম্ভীরা ভট্টাচার্য।
তাপস কাঁড়ার