


বুয়েনস আইরেস: আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আগেই হয়ে গিয়েছিল। তা সত্ত্বেও দেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলারকে রাজকীয় বিদায়ের সুযোগ হাতছাড়া করতে চায়নি আর্জেন্তিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। সেই মতো মঙ্গলবার (ভারতীয় সময় বুধবার ভোররাতে) বেনিনের বিরুদ্ধে শেষবারের জন্য নীল-সাদা জার্সিতে মাঠে নামতে চলেছেন লায়োনেল মেসি। এই ম্যাচ ঘিরে আবেগতাড়িত ডিয়েগো মারাদোনার দেশে। ইতিমধ্যেই সপরিবারে আর্জেন্তিনায় পা রেখেছেন এলএমটেন। নেমে পড়েছেন অনুশীলনেও। আর প্রিয় ছাত্রকে শেষবারের জন্য ট্রেনিংয়ে কাছে পেয়েই বুকে টেনে নেন কোচ লায়োনেল স্কালোনি। সেসময় দু’জনের চোখই ছলছলে। আসলে গত কয়েক বছর এই জুটির হাত ধরেই একের পর এক সাফল্যের পথে হেঁটেছে তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তাই মেসির বিদায়ী ম্যাচ ঘিরে আবেগাপ্লুত কোচ স্কালোনিও। একইসঙ্গে এই ম্যাচের জন্য উপস্থিত থাকতে চলেছেন ২০২২ বিশ্বকাপ জয়ী দলের সকল ফুটবলার।
মেসির নেতৃত্বে বিশ্বকাপ ও জোড়া কোপা আমেরিকা জয়ের স্বাদ পায় আর্জেন্তিনা। মার্কিন মুলুকে দল ফাইনালে পৌঁছালেও খেতাবি লড়াইয়ে স্পেনের কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয় তাদের। এরপরই বাবার মৃত্যুতে ভেঙে পড়েন লিও। তারই জেরে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নেন বাঁ পায়ের জাদুকর। তিন পাতায় আবেগঘন বার্তায় মেসি জানিয়েছিলেন, ‘বিশ্বকাপ ফাইনালের পরই মানসিকভাবে প্রস্তুতিটা সেরে ফেলেছিলেন। তারপরও চেষ্টা করেছিলাম, আরও কিছুদিন খেলা চালিয়ে যেতে। আমার ফুটবল জীবনে বাবাই ছিলেন সব। তাঁর হাত ধরেই প্রথম মাঠে যাওয়া। তবে সেই হাতটা সরে যেতেই গোটা পৃথিবীটাই যেন আমার থমকে গেল।’