


ঢাকা: দীর্ঘ প্রায় ছ’মাসের অপেক্ষা। শুভ অক্ষয় তৃতীয়ায় মিলল ‘ন্যায়বিচার’। আজ, বুধবার, বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণদাসের জামিন মঞ্জুর করল সেদেশের হাইকোর্ট। বিচারপতি মহম্মদ আতোয়ার রহমান ও বিচারপতি মহম্মদ আলি রেজার বেঞ্চ এই আদেশ দিয়েছে। যদিও এখনই চিন্ময়ের জেল থেকে মুক্তি নিয়ে সংশয় আছে বলে মত আইন বিশেষজ্ঞদের।
আদালতে চিন্ময়ের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী অপূর্বকুমার ভট্টাচার্য। অন্যদিকে, সরকারের পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মহম্মদ আসাদুজ্জামান, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মহম্মদ আবদুল বাসেত ও ফরিদ উদ্দিন খান। দু’পক্ষের বক্তব্য শোনার পরে আদালত চিন্ময় কৃষ্ণদাসের জামিন মঞ্জুর করে। চিন্ময় কৃষ্ণদাসকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, জানতে চেয়ে গত ৪ ফেব্রুয়ারি রুল জারি করেছিল হাইকোর্ট। এই প্রশ্নে কার্যত নিরুত্তর থেকে ইউনুস সরকার। এই পরিস্থিতিতে সময় কেনার কৌশল নিয়েছিল তারা। সরকারের এই মনোভাবের জেরে দীর্ঘায়িত হয়েছে শুনানি পর্ব।
বাংলাদেশে মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হওয়ার পরে মুক্তি দেওয়া হয়েছে একাধিক জঙ্গি নেতাকে। এমনকি ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত আসামীদেরও ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। উল্টোদিকে, হাসিনা জমানার পতনের পরে ‘অত্যাচারিত সংখ্যালঘু হিন্দুদের পাশে দাঁড়ানোয়’ জেলে যেতে হয়েছিল বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময়কে। কথিত ‘রাষ্ট্রদ্রোহ’-এর অভিযোগ করে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। একাধিকবার আবেদন করেও জামিন মেলেনি এই হিন্দু ধর্মীয় নেতার। মূলত ক্ষমতাসীন িশবিরের আইনজীবীদের বাধার জেরে বার বার নাকচ হয়ে গিয়েছে তাঁর জামিনের আর্জি। সরকার পক্ষ তাঁকে জেলে বন্দি রাখার কোনও কারণ েদখাতে না পারায় েশষপর্যন্ত জামিন িদতে বাধ্য হল আদালতও।
জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে গত বছরের ৩১ অক্টোবর চিন্ময় কৃষ্ণদাস ব্রহ্মচারীসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম শহরের কোতোয়ালি থানায় রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা দায়ের হয়। সেই মামলাতেই গ্রেপ্তার হন চিন্ময়।