


পুনে: বিদেশে মোটা বেতনের চাকরির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল তরুণীকে। পাঠানো হয় পর্তুগালে। সেখানে তাঁকে জোর করে আটকে রেখে কাজ করানোর অভিযোগ উঠল পুনের এক চাকরি পরামর্শদাতা সংস্থার বিরুদ্ধে। নাগপুরের ২৮ বছর বয়সি ওই তরুণীর অভিযোগ, তাঁকে পর্তুগালের একটি বিয়ার দোকানের মালিকের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছিল। সেখানে দীর্ঘ সময় কাজ করতে বাধ্য করা হয় তাঁকে। এমনকী, তাঁর পাসপোর্টও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই তরুণী বাণিজ্য শাখায় স্নাতক। গত বছরের ডিসেম্বরে বিদেশে চাকরির খোঁজ করছিলেন তিনি। তখনই ওই চাকরির পরামর্শদাতা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ হয় তাঁর। চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে তাঁকে পুনেতে ডেকে পাঠানো হয়। মাসে দেড় লক্ষ টাকা বেতন ও তিন বছরের ওয়ার্ক পারমিটের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় তাঁকে। চাকরি ও ভিসা বাবদ ১১ লক্ষ টাকা চাওয়া হয় তরুণীর কাছ থেকে। চাকরির আশায় তা দিয়ে দেন তিনি। এরপর পর্তুগালে পৌঁছলে তাঁকে একটি ঘরে আটকে রাখা হয়। তাঁর পাসপোর্টও কেড়ে নেওয়া হয়। সেটি ফেরত দেওয়ার জন্য আরও ৪০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। সুপারমার্কেটের ক্যাশিয়ারের কাজের পরিবর্তে তাঁকে মদের দোকান পরিষ্কার-পরিছন্ন করার কাজ দেওয়া হয়। সকাল ৮টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত পরিশ্রম করানো তরুণীকে। তিনি জানতে পারেন, পুনের ওই সংস্থাই তাঁকে বিক্রি করে দিয়েছে। এরপর কোনোক্রমে সেখান থেকে পালিয়ে আসেন তিনি। পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। ঘটনার তদন্ত চলছে।