


নয়াদিল্লি: পুনরায় নিট শেষ না হওয়া পর্যন্ত দেশে টেলিগ্রাম বন্ধ থাকবে। টেলিগ্রামের উপর কেন্দ্রীয় সরকারের সাময়িক নিষেধাজ্ঞাকে চ্যালেঞ্জ করে আবেদনে এই নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট। বিচারপতি তেজস কারিয়ার বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, পরীক্ষায় জালিয়াতি, প্রশ্নফাঁস ও অনিয়মের মতো ঘটনা রুখতে সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্ত আইনসম্মত ও যুক্তিসঙ্গত। তথ্য প্রযুক্তি আইন ২০০০-এর ৬৯এ ধারার অধীনে জনপ্রিয় ম্যাসেজিং অ্যাপের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। আগামী ২১ জুন ফের নিট নেওয়া হবে। পরীক্ষার পরেরদিন অর্থাৎ ২২ জুন পর্যন্ত ভারতে টেলিগ্রাম ব্যবহার করা যাবে না। পাশাপাশি ৩০ জুন পর্যন্ত টেলিগ্রামে আগে থেকে পোস্ট করা মেসেজগুলির এডিট অপশনও বন্ধ থাকবে বলে নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক। কেন্দ্রের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করে টেলিগ্রাম।
সংস্থার প্রশ্ন, ভারতে অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া সাইট যখন স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে, তাহলে টেলিগ্রামকে কেন টার্গেট করা হল? সরকারের এই পদক্ষেপ সংবিধানের ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদ (সাম্যের অধিকার) লঙ্ঘনের শামিল বলে সওয়াল করেন টেলিগ্রাম কর্তৃপক্ষের আইনজীবী ধ্রুব মেহতা। কেন্দ্রের হয়ে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা পালটা যুক্তি দেন, টেলিগ্রামের নিজস্ব পরিকাঠামোয় হস্তক্ষেপ করা কঠিন। কেউ অ্যাকাউন্ট ডিলিট করলে সমস্ত তথ্যই মুছে যায়। পুনরায় প্রশ্নফাঁসের মতো ঘটনা রুখতে এবং পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে তাই এই পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র।
এদিকে, নিট যাতে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়, তার জন্য কড়া সুরক্ষার আয়োজন করেছে এনটিএ। সংস্থা সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, ব্লুটিক দেওয়া হোয়াটস অ্যাপ নম্বর দেখেই পড়ুয়ারা যেন যাবতীয় আপডেট দেখেন।