


নয়াদিল্লি: ২০১৯ সালের পর ২০২৫। ৬ বছর পর চীন সফরে নরেন্দ্র মোদি। সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনে যোগ দিতে চলতি মাসেই তিয়াংজিনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। মোদির সফর নিয়ে আশাবাদী বেজিং। সেদেশের সরকারি সংবাদপত্র গ্লোবাল টাইমস তাদের সম্পাদকীয়তে লিখেছে, ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সফর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক। বিষয়’ দু’দেশের পারস্পরিক বন্ধুত্বের সম্পর্ক এই নিবন্ধে গ্লোবাল টাইমস একটি ভারতীয় প্রবাদেরও উল্লেখ করেছে। লিখেছে ‘ভাইয়ের নৌকা মেরামত করতে সাহায্য করো, তুমিও কিনারায় পৌঁছে যাবে।’
ভারতের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরকে স্বাগত জানিয়েছে সেদেশের বিদেশ মন্ত্রকও। মুখপাত্র জুয়ো জিয়াকুন বলেছেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি এই এসসিও-র এই বৈঠক বন্ধুত্বপূর্ণ হবে। দেশগুলির মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা হবে।’ আগামী ৩১ আগস্ট থেকে চীনের তিয়াংজিনে শুরু হওয়া এসসিও-র প্রধানমন্ত্রীদের বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন নরেন্দ্র মোদি। জাপান সফর সেরে ৩০ আগস্টই তিয়াংজিনে পৌঁছে যাওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রীর। যদিও রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন বৈঠকে যোগ দেবেন কি না, তা নিয়ে ধন্দ রয়েছে।সেবিষয়ে এখনও কোনও সবুজ সংকেত মেলেনি। ইউক্রেন যুদ্ধে সংঘর্ষবিরতির জন্য রাশিয়াকে সময়সীমা বেঁধে দিয়েও লাভ হয়নি ডোনাল্ড ট্রাম্পের। আমেরিকার সেই হুঁশিয়ারি গ্রাহ্যই করেননি পুতিন। সেই রোষেই এবার ভারত সহ রাশিয়ার বন্ধুদেশগুলিকে ‘শিক্ষা’ দিতে উঠে পড়ে লেগেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। চাপাচ্ছেন একের পর এক শুল্কের বোঝা। আমেরিকার সেই শুল্ক যুদ্ধই কাছাকাছি এনে দিয়েছে এশিয়ার দুই সুপার পাওয়ারকে। ফলে আরও শক্তিশালী হচ্ছে ব্রিকস জোট।