


লন্ডন: বিশ্বের তাবড়-তাবড় ব্যক্তিত্বের ঘুম উড়িয়ে দিয়েছে এপস্টাইন ফাইলস। নাম উঠে এসেছে প্রয়াত বিশ্বখ্যাত জ্যোর্তিবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংয়েরও। তাঁর সঙ্গে বিকিনি পরা দুই লাস্যময়ীর ছবি ঘিরে দুনিয়াজুড়ে শোরগোল পড়েছে। কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টাইনের নথিতে দেখা গিয়েছে, স্বল্পবসনা দুই তরুণীর মাঝে সোফায় হেলান দিয়ে বসে রয়েছেন হকিং। তাঁদের মুখে হাসি এবং হাতে রয়েছে ফল দিয়ে সাজানো রঙিন পানীয়। বোঝা যাচ্ছে, কোনও রিসর্ট কিংবা সুইমিং পুলের ধারে সময় কাটাচ্ছেন বিজ্ঞানী।
এব্যাপারে মুখ খুলেছে হকিংয়ের পরিবার। জবাবে তারা বলেছে, দুই তরুণী অচেনা কেউ নন। তাঁরা বিজ্ঞানীকে দেখাশোনা করতেন। শুধু তাই নয়, তাঁরা দীর্ঘদিন এই কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বিজ্ঞানীর পরিবারের তরফে আরও বলা হয়েছে, ছবিটি ২০০৬ সালে ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের সেন্ট থমাসে একটি হোটেলে তোলা হয়েছিল। সেখানে আমন্ত্রণ পেয়ে কোয়ান্টাম কসমোলজি-র বিষয়ে বক্তৃতা দিতে গিয়েছিলেন হকিং। সেখানে আরও ২০ জন বিশিষ্ট যোগ দিয়েছিলেন। ছবিটিকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে বলে পরিবারের দাবি। অভিযোগ, ক্যারিবিয়ান দ্বীপে ওই বিজ্ঞান সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন এপস্টাইন। এদিকে ছবিতে পানীয়র গ্লাস হাতে থাকা দুই তরুণীর পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। তাঁদের মুখ ঢেকে দেওয়া হয়েছে। ব্রিটেনে হকিং-ঘনিষ্ঠরা বলছেন, প্রয়াত বিজ্ঞানীর বিরুদ্ধে ঈঙ্গিতপূর্ণ অভিযোগ তোলা একেবারেই অনুচিত। উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন জটিল স্নায়ুরোগে আক্রান্ত হকিংয়ের মৃত্যু হয় ২০১৮ সালে।
এবার এপস্টাইন কাণ্ডে পদত্যাগ করলেন ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরামের সিইও বোর্জ ব্রেন্ডে। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হতেই সরে দাঁড়ালেন তিনি। এপস্টাইনের সঙ্গে একাধিকবার ডিনারে গিয়েছিলেন। বোর্জ তাঁর সঙ্গে ইমেলে এবং মেসেজে যোগাযোগ রেখেছিলেন বলে মার্কিন বিচার বিভাগ তথ্য ফাঁস করেছে।