


মুম্বই: ভোটাভুটি, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এখন অতীত। একমাত্র বিজেপি ঘনিষ্ঠ হলেই মিলবে বিসিসিআই কর্তার পদ। সেই অঘোষিত নিয়ম মেনেই রবিবার ৯৪তম বার্ষিক সভায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিসিআইয়ের সভাপতি হলেন মিঠুন মানহাস।
কে এই মানহাস? তাঁকে তো দেশের হয়ে কখনও প্রতিনিধিত্ব করতে দেখা যায়নি। ঘরোয়া ক্রিকেটে অবশ্য ১৫৭টি ম্যাচ খেলেছেন। কিন্তু সভাপতি পদে বোর্ড তো সুপরিচিত কোনও প্রাক্তন ক্রিকেটারকে চাইছিল। প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি বা ১৯৮৩-র বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য রজার বিন্নির মতো কাউকে। তাহলে মিঠুন মানহাস কেন? আসলে সবই ক্ষমতার খেলা। শাহ পরিবার চেয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ক্রিকেট বোর্ডে সর্বোচ্চ মসনদে একজন কাঠের পুতুলকে বসাতে। তাঁদের ইশারায় যিনি হাত-পা নাড়বেন। তাই ২০ সেপ্টেম্বরের মিটিংয়ে হঠাত্ করেই শীর্ষ পদের আলোচনায় ঢুকে পড়েন মানহাস। এরপর আর কোনও মনোনয়নই জমা পড়েনি। ভাইস প্রেসিডেন্ট পদেও পুননির্বাচিত রাজীব শুক্লা। তিনি অবশ্য স্বপ্ন দেখেছিলেন সভাপতি হওয়ার। তবে তা পূরণ হল না। সচিবের পদ ধরে রাখলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা হেমন্ত বিশ্বশর্মার ঘনিষ্ঠ দেবজিত্ সাইকিয়া। কোষাধ্যক্ষ রঘুরাম ভাট। আর আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন বিজেপি নেতা অনুরাগ ঠাকুরের ভাই অরুণ ধুমাল। পাশাপাশি নির্বাচক কমিটিতে অন্তর্ভুক্তি ঘটেছে প্রজ্ঞান ওঝা এবং আরপি সিংয়ের।