


উজির আলি, চাঁচল: কলকাতায় মেয়ো রোডে গান্ধীমূর্তির সামনে তৃণমূল কংগ্রেসের ভাষা আন্দোলনের মঞ্চ খুলে দিয়েছে সেনাবাহিনী। তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি ঘুরিয়ে সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করে মঞ্চ খুলেছে।
এনিয়ে সরব হয়েছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদও। প্রতিবাদে চাঁচল কলেজ টিএমসিপি ইউনিটের উদ্যোগে কলেজের বাইরে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয় মঙ্গলবার। দেশনায়ক নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, স্বামী বিবেকানন্দ, ক্ষুদিরাম বসু ও ড. বি আর আম্বেদকরের প্রতিকৃতি হাতে নিয়ে বিজেপি বিরোধী স্লোগান দেন টিএমসিপি কর্মীরা। কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন মালদহ জেলা টিএমসিপি সাধারণ সম্পাদক বাবু সরকার। ছিলেন চাঁচল কলেজ ইউনিটের সভাপতি নাসিমুল হক (সোয়েল), ছাত্রনেতা বাপি আলি, রকি হোসেন, ফাইয়াজ আলম ও মেরাজ হোসেন সহ অন্যরা।
বাবুর অভিযোগ, বিজেপি শাসিত রাজ্যে বাঙালিদের বারবার হেনস্তা করা হচ্ছে। শ্রমিকদের থানায় আটকে রেখে বাংলাদেশি সন্দেহে অপমান, অত্যাচারও করা হয়। অথচ কেন্দ্র চোখ বন্ধ করে বসে আছে। বাংলায় যাঁরা মাতৃভাষার সম্মান রক্ষার আন্দোলন করছেন, তাঁদের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা চলছে। সেনা দিয়ে আমাদের প্রতিবাদ মঞ্চ খুলে দিয়ে বিজেপি প্রমাণ করল, তারা বাংলার কণ্ঠরোধ করতে চাইছে।
চাঁচল কলেজ টিএমসিপি ইউনিট সভাপতি বলেন, চাঁচল সহ মালদহের বহু শ্রমিক হরিয়ানা ও দিল্লির মতো বিজেপি শাসিত রাজ্যে যান। তাঁদের বাঙালি পরিচয় নিয়ে পুলিস হয়রান করছে। বাংলাদেশি সন্দেহে হেনস্তা হতে হচ্ছে শ্রমিকদের। ভাষার অপমান মেনে নেব না।
এপ্রসঙ্গে বিজেপির উত্তর মালদহের যুব মোর্চার সভাপতি অয়ন রায় বলেন, মেয়াদ শেষ হয়েছিল বলেই সেনা মঞ্চ খুলেছিল। তৃণমূল সেটাকে রাজনৈতিক ইস্যু করে পুলিস দিয়ে সেনার গাড়ি আটকাচ্ছে। এটা দুর্ভাগ্যজনক।
বিজেপির বিরুদ্ধে চাঁচল কলেজের বাইরে টিএমসিপি’র বিক্ষোভ।-নিজস্ব চিত্র