


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ ডাঃ শান্তনু সেনের রেজিস্ট্রেশন বাতিলের সিদ্ধান্ত খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। গত বৃহস্পতিবার শান্তনু সেনের রেজিস্ট্রেশন বাতিল ঘোষণা করেছিল রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল। কাউন্সিলের সেই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন শান্তনু। সোমবার বিচারপতি অমৃতা সিনহা সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর জানিয়ে দেন, কোন কারণে আবেদনকারীর রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হল, তা তাঁকে জানানো হয়নি। এটি একটি ‘নন স্পিকিং ক্রিপটিক অর্ডার’। তাই তা খারিজ হতে বাধ্য।
এদিনের শুনানিতে শান্তনুর আইনজীবী বিশ্বরূপ ভট্টাচার্য বলেন, ২০ বছর ধরে শান্তনু প্র্যাকটিস করছেন। আইএমএ’র নির্বাচনে সফল হয়েছিলেন। হঠাৎ করে রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল একটি স্বতঃস্ফূর্ত পদক্ষেপ করেছে। রাজ্যের তরফে পাল্টা দাবি করা হয়, রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলে রেজিস্ট্রেশন না করিয়েই ‘এফআরসিপি গ্লাসগো’ নামে একটি বিদেশি ডিগ্রি ব্যবহার করতেন শান্তনু। স্বতঃপ্রণোদিতভাবেই পরে তাঁর রেজিস্ট্রেশন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু বিচারপতি তাঁর নির্দেশে জানান, স্বতঃপ্রণোদিত সিদ্ধান্ত হলেও মেডিক্যাল কাউন্সিলের তদন্ত বা ওই সংক্রান্ত যাবতীয় রিপোর্ট শান্তনুকে পাঠাতে হবে। তারপরে শুনতে হবে তাঁর বক্তব্য এবং যথাযথ সিদ্ধান্ত নিতে হবে সেইমতো।
হাইকোর্টের এই নির্দেশের পর শান্তনু সেন বলেন, ‘মিথ্যা অভিযোগে আমার রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হয়েছিল। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তার জবাব দিয়েছি।’