


নয়াদিল্লি: ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের পড়াশোনার খরচ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সুরাতের সমাজকর্মী অমিত তিওয়ারি। এব্যাপারে তথ্য জানার অধিকার আইনে (আরটিআই) আবেদনও করেছেন। তারপর ২৪ ঘণ্টাও কাটল না। সোমবার অভিজিৎ নিজেই এক সাক্ষাৎকারে জানিয়ে দিলেন, বস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কলারশিপের অর্থেই তিনি আমেরিকায় পড়াশোনা করছেন। পাশাপাশি নিয়েছেন কিছু শিক্ষাঋণ। সেই ঋণ তাঁকেই মেটাতে হবে। নিজের বক্তব্যের সমর্থনে বস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কলারশিপ লেটার সামনে এনেছেন দিপকে। সেই লেটারেই সেমেস্টার ধরে ধরে বস্টন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাপ্ত স্কলারশিপের হিসাব রয়েছে। পরে এক্স হ্যান্ডলে এনিয়ে তিনি খোঁচা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও। লিখেছেন, ‘আমি স্কলারশিপ এবং শিক্ষাঋণের নথি প্রকাশ্যে আনতে প্রস্তুত। সম্রাট কি নিজের ডিগ্রি দেখাবেন?’ প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রি নিয়ে দীর্ঘদিন মামলা চলেছে হাইকোর্টে। যদিও শেষপর্যন্ত ‘ব্যক্তিগত গোপনীয়তা’র যুক্তি দেখিয়ে তা সামনে আসেনি। সেই বিষয়টিকে কটাক্ষ করেছেন দিপকে।
নিট ইউজির প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে প্রথম পথে নামে ককরোচ জনতা পার্টি। জেন জি আন্দোলনের চাপে শেষপর্যন্ত ইস্তফা দিতে বাধ্য হন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এরপরই দিপকের বিরুদ্ধে আরটিআইকে অস্ত্র বানিয়েছেন সমাজকর্মী অমিত। আবেদনে ককরোচদের তহবিল নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। সে প্রসঙ্গে দিপকে বলেন, ‘সব কিছু স্বচ্ছ। আন্দোলনকারীরা নিজেরাই নিজেদের খরচ তুলে নিয়েছেন। তাঁরা নিজেরাই জলের বোতল নিয়ে এসেছেন।’ পরবর্তী সময়ে ক্রাউড ফান্ডিয়ের মাধ্যমে আন্দোলনের খরচ জোগাড়ের পরিকল্পনা রয়েছে দিপকের।