


সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: ইলেকট্রিক স্কুটার চার্জ দেওয়ার সময় বিপত্তি। ব্যাটারি ফেটে পুড়ে ছাই হয়ে গেল গোটা বাড়ি। সোমবার সকালে ময়নাগুড়ি শহরের স্কুল শহিদগড় পাড়ায় এ ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। দমকলের একটি ইঞ্জিন এসে এক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িতে আসেন ময়নাগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান মনোজ রায়, ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ সহ কাউন্সিলাররা। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির সঙ্গে দেখা করেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি রামমোহন রায়। পরিবারটির খাবারের ব্যবস্থা করেন তিনি।
ঘটনার সময় গৃহকর্ত্রী আন্না বারুই ও তাঁর এক ছেলে অসীম বাড়িতে ছিলেন না। আরএক ছেলে সুশীল স্ত্রী ও বাচ্চাদের নিয়ে বাড়িতে ছিলেন। যে সময় আগুন লাগে সেই সময় সুশীল বাথরুমে ছিলেন। আগুন লেগেছে বুঝতে পেরে বাথরুম থেকে বাইরে বেরিয়ে এসে তিনি স্ত্রী ও বাচ্চাকে ঘর থেকে বের করেন। চোখের সামনে গোটা বাড়ি পুড়ে যেতে দেখে সুশীল ভেঙে পড়েন।
স্থানীয় বাসিন্দা রাকেশ সরকার বলেন, বারুই বাড়িতে আগুন লেগেছে দেখে আমরা প্রতিবেশীরা জল নিয়ে এসে নেভানোর চেষ্টা করি। দমকলেও খবর দিই। কিন্তু বাড়ির কিছুই রক্ষা করা যায়নি। সুশীল বারুই বলেন, সোনার কিছু গয়না, নগদ টাকা, জরুরি কাগজপত্র, আসবাবপত্র সমস্ত কিছুই পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে।
এলাকার বাসিন্দা ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার অমিতাভ চক্রবর্তী বলেন, বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে পরিবারটি নিঃস্ব হয়ে গেল। চেয়ারম্যান এসেছিলেন। তিনি বলেছেন খুব দ্রুত ঘরের ব্যবস্থা করবেন। আমরাও পরিবারটির পাশে আছি। অন্যদিকে, ময়নাগুড়ি দমকল কেন্দ্রের ওসি নিতাইচন্দ্র শীল বলেন, আমাদের প্রাথমিক অনুমান শর্ট সার্কিট থেকে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। কথা বলে জেনেছি, ইলেক্ট্রিক স্কুটার চার্জ দেওয়ার সময় ব্যাটারি ব্লাস্ট হয়েই এমনটা হয়েছে। • নিজস্ব চিত্র।