


কর্মব্যস্ত জীবন, দীর্ঘ সময় যাতায়াত আর স্বাস্থ্যকর খাবারের প্রতি বাড়তে থাকা সচেতনতা। এই তিন কারণে দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে ইলেকট্রিক লাঞ্চ বক্স। অফিসকর্মী থেকে ছাত্রছাত্রী— সকলের কাছেই অত্যন্ত কার্যকর এই ডিভাইস। বাড়ি থেকে আনা খাবার হামেশাই ঠান্ডা হয়ে যায়। গরম করার জন্য সবসময় ব্যবস্থা করা যায় তা-ও নয়। এমনই সমস্যার সহজ সমাধান করেছে এই ইলেকট্রিক লাঞ্চ বক্স। দেখতে সাধারণ টিফিন বক্সের মতো হলেও এর ভিতরে থাকে বৈদ্যুতিক হিটিং এলিমেন্ট। নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিদ্যুতের সংযোগে এই হিটিং প্লেস ধীরে ধীরে খাবার গরম করে। অধিকাংশ মডেল ২২০-২৪০ ভোল্টের গৃহস্থালি বিদ্যুতেই চলে। আবার কিছু মডেল ১২ বা ২৪ ভোল্টের গাড়ির পাওয়ার সকেটেও ব্যবহার করা যায়। সাধারণত ২০ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যে খাবার গরম করতে পারে এই ডিভাইস। অনেক মডেলে স্টেনলেস স্টিলের আলাদা খাবারের পাত্র, লিক-প্রুফ ঢাকনা সহ একাধিক বৈশিষ্ট্য থাকে।
• কেন বাড়ছে গুরুত্ব?
বাইরে থেকে প্রতিদিন খাবার কেনার বদলে বাড়ির রান্নাতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন অনেকে। তা সাশ্রয়ী তো বটেই, পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মতও। অফিস, স্কুল, কলেজ বা কর্মস্থলে এই ধরনের লাঞ্চ বক্স ব্যবহার করে সহজেই খাবার গরম করে নেওয়া যায়। এটি বহন করাও অত্যন্ত সহজ। ব্যবহার করলে খুব বেশি বিদ্যুৎ খরচও হয় না। আলাদা মাইক্রোওয়েভের দরকার পড়ে না। অনেক মডেলে চামচ, ফর্ক, আলাদা স্যুপ কনটেনারও দেওয়া হয়। ফলে অফিসে বা ভ্রমণের সময় এর সুবিধা নিতে পারেন। আবার ভ্যাপসা গরমে খাবার নষ্ট হওয়ার হাত থেকেও বাঁচায় এই ডিভাইস।
• দাম কেমন?
ভারতের বাজারে সাধারণ ইলেকট্রিক লাঞ্চ বক্সের দাম সাধারণত ৮০০ থেকে ২,৫০০ টাকা। উন্নত মানের স্টেনলেস স্টিল, বড়ো বাক্স বা গাড়িতে ব্যবহারের সুবিধাসম্পন্ন মডেলের দাম ২,৫০০ থেকে ৫,০০০ টাকা বা তারও বেশি হতে পারে।