


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রবিবার রাতেই রাজ্যে পা রাখছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। থাকছেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং বাকি দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু ও বিবেক যোশি। আগামী সোম এবং মঙ্গলবার শহরে তাঁদের ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে। কমিশনের ফুল বেঞ্চের সূচি অনুযায়ী, আগামী রবিবার ৮ মার্চ রাতে কলকাতায় আসার পরদিন সোমবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত রাজ্যের স্বীকৃত রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে তাঁদের বৈঠক হবে। বেলা পৌনে ১টা নাগাদ রাজ্যের সিইও মনোজকুমার আগরওয়াল কমিশনের ফুল বেঞ্চের সামনে বক্তব্য রাখবেন। কমিশনের প্রতিনিধিরা বলবেন তারপর। ওইদিনই বেলা সওয়া ১টা থেকে কেন্দ্র ও রাজ্যের আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করবে কমিশন। থাকবেন মোট ২৪টি সংস্থার প্রধান। ভোটের প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠক হবে জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদের সঙ্গেও। বিকেল পর্যন্ত এই বৈঠক চলবে। মঙ্গলবারও কমিশনের ফুল বেঞ্চের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক রয়েছে। রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি পীযূষ পান্ডে এবং প্রশাসনের অন্য সিনিয়র আধিকারিকেরা মঙ্গলবারের বৈঠকে থাকবেন। বেলা সাড়ে ১২টা থেকে বুথ স্তরের আধিকারিক এবং বিএলওদের সঙ্গে কথা বলবে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। তরপরই সাংবাদিক বৈঠক সেরে দিল্লি রওনা দেবেন কমিশনের সদস্যরা।
অন্যদিকে, রাজ্যে অ্যাডজুডিকেশন তালিকা যাচাই নিয়ে বৃহস্পতিবার ফের বৈঠকে বসেছিলেন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। বৈঠকে ছিলেন মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, রাজ্য পুলিশের ডিজি পীযূষ পান্ডে। ভার্চুয়াল মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দিয়েছেন রাজ্যের সিইও। ভিন রাজ্য থেকে বিচারকরা
আসার পর তাঁরা কীভাবে কাজ করবেন, তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি যাচাইয়ের চলমান কাজের অগ্রগতিরও পর্যালোচনা করেছেন প্রধান বিচারপতি। অন্যদিকে, এসআইআর নিয়ে একাধিক অভিযোগ তুলে বুধবার থেকেই কলকাতায় সিইও অফিসের সামনে
অবস্থান বিক্ষোভে বসেন বামপন্থী কর্মী-সমর্থকরা। রাতভর অবস্থান চলার পর বৃহস্পতিবারও সেই কর্মসূচি জারি থাকে। বিকেলে সিইওর সঙ্গে দেখা করে বামফ্রন্টের এক প্রতিনিধি দল। পরে ফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু এবং সিপিএমের
রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম জানান, একজনও যোগ্য ভোটারের নাম বাদ রেখে কোনোভাবেই ভোট হতে
দেওয়া হবে না।