


হাউস্টোন: বিশ্বকাপ ফুটবলে নিজেদের প্রথম ম্যাচে কুরাসাওকে উড়িয়ে দিল জার্মানি। ম্যাচের প্রথম থেকেই আক্রমণের ঝড় তোলে মুসিয়ালারা। ম্যাচের ৬ মিনিটে জার্মানির হয়ে প্রথম গোল করেন ফেলিক্স। এরপর কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করে কুরাসাও। ২১ মিনিটে গতির বিপরীতে গোল করে কুরাসাওকে সমতায় ফেরান লিভানো কমেনেসিয়া। আর এই গোলই বোধহয় আঘাত হানে জার্মানির আত্মসম্মানে। এরপর থেকেই জার্মানির অতি আক্রমণাত্মক ফুটবলের সামনে কার্যত আত্মসমর্পণ করলো, প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে আসা কুরাসাও। ৩৮ মিনিটে জার্মানির হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন নিকো। প্রথম অর্ধের ইনজুরি টাইমে পেনাল্টি থেকে জার্মানিকে ৩-১ এগিয়ে দেন কাই হাভার্টজ। দ্বিতীয়ার্ধেও একই রকম আক্রমণ তো ফুটবল খেলতে থাকেন জার্মান ফুটবলাররা। ম্যাচের ৪৭ মিনিটে জার্মানির হয়ে চতুর্থ গোলটি করেন জামাল মুসিয়ালা। এরপর ৬৮ মিনিটে ব্রাউন এবং ৭৮ মিনিটে পরিবর্তন হিসেবে মাঠে নামা ডেনিস উনদাভ জার্মানির হয়ে পঞ্চম ও ষষ্ঠ গোল করেন। ম্যাচের ৮৮ মিনিটে কুরাসাও এর কফিনে শেষ পেরেকটি পোতেন কাই হাভার্টজ ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় গোল করে।
এই ম্যাচে জার্মানদের আধিপত্য কতটা ছিল তা তাদের বল পজিশন দেখলেই বোঝা যায়। ৬৫% বল পজিশন ছিল মুশিয়ালাদের। ম্যাচে মোট ৫৯৯টা পাস খেলেছেন জার্মান ফুটবলাররা। আর কুড়াসাও এর গোল লক্ষ্য করে শট নিয়েছেন ২৬ টা। তবে এই ম্যাচে রেফারিকে লাল বা হলুদ কোন কার্ডই পকেট থেকে বার করতে হয়নি একবারের জন্যও। ২০১৪ সালেও জার্মানির ঠিক এভাবেই ৭-১ গোলের মালা পরিয়েছিল ব্রাজিলকে তাদের ঘরের মাঠ মারাকানা স্টেডিয়ামে।