


নয়াদিল্লি, ১৫ মার্চ: দীর্ঘদিন ধরে তক্কে তক্কে ছিল মার্কিন ও ইরাকি সেনা। এর আগে অল্পের জন্য ফস্কে গিয়েছিল। এবার ডেরা থেকে বের হতেই ‘মারণ ছোবল’। আকাশপথে অব্যর্থ হানায় আইএস-এর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা আবদাল্লাহ মাক্কি মুসলেহ আল-রিফাই ওরফে আবু খাদিজাকে খতম করল মার্কিন নেতৃত্বাধীন যৌথ বাহিনী। গত ১৩ মার্চ, বৃহস্পতিবার ইরাকের আল-আনবার প্রদেশে এই হামলা চালানো হয়। জানা গিয়েছে, রাতের অন্ধকারে সঙ্গী সহ ডেরা থেকে বেরিয়েছিল আবু খাদিজা। সে সময় তার গাড়ি লক্ষ্য করে আকাশ থেকে নেমে আসে ক্ষেপণাস্ত্র। এই অভিযানে আবু খাদিজার সঙ্গেই মারা পড়েছে আরও এক শীর্ষ আইএস জঙ্গি নেতা।
ইরাক ও সিরিয়ায় আইএসের প্রধান আবু খাদিজার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শিয়া আল-সুদানি। শুক্রবার তিনি জানিয়েছেন, ইরাকি জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ও মার্কিন নেতৃত্বাধীন যৌথ বাহিনী এই অভিযান পরিচালনা করেছে। আবু খাদিজাকে ‘ইরাক এবং সারা বিশ্বের জন্য বিপজ্জনক জঙ্গি’ আখ্যা দিয়েছেন তিনি।
যৌথ বাহিনীর এই সাফল্যের কথা উচ্ছ্বসিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ-এ তিনি লিখেছেন, ‘আইসিসের ফেরার নেতা আজ ইরাকে খতম হয়েছে। আমাদের সাহসী যোদ্ধারা তাকে তাড়া করে বেড়াচ্ছিল। আমাদের সাহসী যোদ্ধারা তাকে খুঁজে বের করে নির্মূল করেছে।’ এর সঙ্গে তাঁর সংযোজন, ‘শক্তির মাধ্যমে শান্তি!’
জানা গিয়েছে, আবু খাদিজা ও তার সঙ্গীর পরনে ছিল ‘সুইসাইড ভেস্ট’। সঙ্গে ছিল প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র। ঘটনাস্থল থেকে দু’জনের দেহ উদ্ধার করা হয়।
এর আগে আবু খাদিজাকে নাগালের মধ্যে পেয়েও অল্পের জন্য ধরতে পারেনি ইরাক ও আমেরিকার যৌথ বাহিনী। কিন্তু সে সময় তার ডিএনএ সংগ্রহ করা হয়েছিল। সেই ডিএনএ পরীক্ষা করে মৃত জঙ্গি নেতার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।