


নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: বিডিওর গাড়ি চালক, ঠিকাদার বন্ধুর পর সোনা ব্যবসায়ীকে অপহরণ-খুনে গ্রেফতার করা হয়েছে কোচবিহারের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সজল সরকারকে। তদন্তে পুলিশ আগেই জানতে পেরেছে, ওই নেতার গাড়িতে করেই সোনা ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যার দেহ লোপাট করা হয়েছিল। কিন্তু, কার নির্দেশে তৃণমূল নেতার গাড়িতে করে দেহ ফেলা হয়েছিল? কোনও মিডলম্যান ছিল কি? নাকি খোদ অভিযুক্ত রাজগঞ্জের বিডিও? সেই তথ্যের কিনারা করতে গোয়েন্দা শাখা তদন্ত শুরু করেছে। ধৃতদের জেরা করে ঘটনাক্রমও সাজানো হচ্ছে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজের সঙ্গে পুলিশের সংগ্রহ করা একাধিক ফোন কল ডিটেলস খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সূত্রের খবর, ধৃতদের নিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণও করা হবে।
এই ঘটনায় কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর এখনও কিনারা হয়নি। বিডিওর ফ্ল্যাটে সোনা চুরি হয়েছিল বলে স্বঘোষিত ‘চোরই’ স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। সেই সোনার খোঁজ করতে এসেই সোনা ব্যবসায়ী স্বপনবাবুকে তুলে এনে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। কিন্তু, বিডিও থানায় অভিযোগ না করে নিজে গোপনপথে সোনা উদ্ধারে এলেন কেন? যদি এসেই থাকেন, তাহলে পুলিশের সাহায্য নিলেন না কেন? এই সমস্ত একাধিক যোগ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। কারণ, ওই প্রশ্নের ভিতরেও লুকিয়ে রয়েছে হত্যারহস্য। গাড়ি চালক ও ঠিকাদার বন্ধুকে জেরা করেই পুলিশ জানতে পেরেছিল, খুনে যুক্ত ছিলেন মোট ছয়জন। তাঁদের মধ্যে এই তৃণমূল নেতাও রয়েছেন। তারপরই পুলিশ শিলিগুড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের চার নম্বরে কে? তার উত্তর এখনও না মিললেও পুলিশের দাবি, তদন্ত চলছে। তিনজনকেই জেরা করা হচ্ছে। তারপর বাকিদেরও গ্রেফতার করা হবে।