


অমৃতসর: সরকারি আধিকারিকের আত্মহত্যা ঘিরে উত্তাল পাঞ্জাব। গত শনিবার বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন গগনদীপ সিং রানধাওয়া নামে ওই আধিকারিক। তিনি ছিলেন পাঞ্জাব স্টেট ওয়্যার হাউসিং কর্পোরেশনের অমৃতসর জেলা ম্যানেজার। এই ঘটনায় নাম জড়িয়েছে রাজ্যের সদ্যপ্রাক্তন মন্ত্রী তথা আপ বিধায়ক লালজিৎ সিং ভুল্লারের। সোমবার সন্ধ্যায় ফতেহগড় সাহিব জেলা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ।
আত্মহত্যার আগে একটি ভিডিয়োতে গগনদীপ অভিযোগ করেন, একটি টেন্ডার নিয়ে ভুল্লার ও তাঁর সহযোগীদের লাগাতার হেনস্তার মুখে পড়তে হয়েছে তাঁকে। এজন্যই তিনি চরম পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছেন। আধিকারিকের আত্মহত্যার পর প্রবল সমালোচনার মুখে মন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন ভুল্লার। অভিযুক্ত ভুল্লার, তাঁর বাবা ও ব্যক্তিগত সচিবের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে পুলিশ। ভুল্লার ও তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে সরব মৃত আধিকারিকের স্ত্রী । তাঁর স্বামীকে লাগাতার হেনস্তার অভিযোগ তুলেছেন তিনি। এমনকী, বন্দুক দেখিয়ে গগনদীপকে দিয়ে ১০ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার ভুয়ো স্বীকারোক্তি লিখিয়ে নেওয়া হয় বলেও দাবি করেছেন তিনি।
এরমধ্যে অনেকেই অভিযোগ তোলেন, পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে পালাতে পারেন আপ বিধায়ক। যদিও গ্রেপ্তারের কিছুক্ষণ আগে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে ভুল্লার জানান, তিনি পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করছেন। ঘটনায় পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টে লিখেছেন, ‘গোটা পাঞ্জাব আমার পরিবার। আইন ভঙ্গ করলে শাস্তির মুখোমুখি হতেই হবে। কাউকে বাঁচানো আমার দলের লক্ষ্য নয়।’ অন্যদিকে ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দ্বারস্থ হয়েছেন পাঞ্জাবের ৪ কংগ্রেস সাংসদ।