


নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: তৃণমূলের কর্মিসভা ঘিরে শনিবার উত্তেজনা দেখা দিল শাসনের খড়িবাড়িতে। সভায় যোগ দিতে এসে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন প্রাক্তন আইপিএস তথা তৃণমূল নেতা হুমায়ুন কবির। তাঁকে ঘিরে ওঠে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান। সভা শেষ হওয়ার পর খড়িবাড়ি ও চৌমুহার তৃণমূল পার্টি অফিসে ভাঙচুর চালিয়ে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। আমিনপুরের দলীয় কার্যালয়েও একই চেষ্টা হয়েছে বলে দাবি তৃণমূলের। তবে, তা রুখে দেয় পুলিশ।
জানা গিয়েছে, বারাসত ২ নম্বর ব্লকের খড়িবাড়িতে ১৭৫টি বুথের কর্মীদের নিয়ে ‘ইনডোর’ কর্মিসভার আয়োজন করা হয়েছিল। তৃণমূলের দাবি, সভায় প্রায় ৬০০ কর্মী উপস্থিত ছিলেন। সভা চলাকালীনই একদল বিজেপি কর্মী সেখানে এসে গোলমাল করার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। তবে সভা শেষ হওয়ার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তৃণমূল নেতা আব্দুর রউফ বলেন, বিজেপির কর্মীরা আমাদের ঘরোয়া সভায় এসে গোলমাল করেন। সভা শেষ হওয়ার পর একাধিক পার্টি অফিস দখল করেন। আমাদের কর্মীদের মারধর করা হয়েছে। হুমায়ুন কবিরকে হেনস্তার প্রতিবাদে আমরা আন্দোলনে নামব।
যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা ভাস্কর মণ্ডল বলেন, দীর্ঘদিন বিরোধীদের মিটিং-মিছিলের সুযোগ দেওয়া হয়নি। এখন তৃণমূল সংগঠন গড়ার নামে এলাকায় অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছে। লুকিয়ে-চুরিয়ে মিটিং কিংবা বোমা-বন্দুকের রাজনীতি চলবে না। এদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে বারাসত পুলিশ জেলার সুপার জে মার্সি বলেন, সভা ছিল সকাল ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত। উনি ১২টার পরে পৌঁছনোয় একদল লোক তাঁকে আটকায়। পুলিশ তাঁকে নিরাপদে সরিয়ে দেয়। আর পার্টি অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে তারা। তবে, এনিয়ে কোনো পক্ষই থানায় অভিযোগ করেনি।