


সংবাদদাতা, হলদিয়া: তাঁর রাজনৈতিক উত্থানে অপরিসীম ভূমিকা নন্দীগ্রামের। কঠিন সময়েও এখান থেকে খালি হাতে ফিরতে হয়নি। বিপুল ভোট জিতেও আইনি কারণে এবার সেই নন্দীগ্রাম আসন ছেড়ে দিতে হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীকে। পরিবর্তে বিধায়ক হিসেবে ভবানীপুর কেন্দ্র বেছে নিয়েছেন তিনি। কিন্তু এর ফলে নন্দীগ্রামের মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে কোনও খামতি থাকবে না বলে মঙ্গলবার আরো একবার আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বললেন, ‘যে যে প্রতিশ্রুতি জনগণকে দিয়েছি, তা পালন করার দায়িত্ব আমার।’
উপনির্বাচনে নন্দীগ্রাম আসনে বিজেপি প্রার্থী করেছে চন্দ্রনাথ রথের মা হাসিরানি রথকে। চন্দ্রনাথ ছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর প্রাক্তন আপ্ত-সহায়ক। যাঁকে দুষ্কৃতীরা নির্মমভাবে হত্যা করেছে। আজ, মঙ্গলবার হাসিরানির মনোনয়ন পেশের আগে হলদিয়ায় সভা করেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রার্থীর সঙ্গে সাধারণ মানুষকে পরিচয় করিয়ে দেন তিনি। এই সভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘হাসিরানির বিপুল ভোটে জয় চাই। নন্দীগ্রামের মানুষের পাশে আমি থাকব। যে যে প্রতিশ্রুতি জনগণকে দিয়েছি, তা পালন করার দায়িত্ব আমার। ২০৩১ সাল পর্যন্ত গ্যারান্টি দিয়ে যাচ্ছি।’ তিনি ভোট প্রাচারে আর আসতে পারবেন না বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে তাঁর আত্মবিশ্বাসী ঘোষণা, ‘এমন মার্জিনে আমরা জিতব যা কেউ কল্পনা করতে পারবে না।’
সংখ্যালঘুদের বড় অংশ বিজেপিকে ভোট দেয় না। এই অনুযোগ বিভিন্ন সময়ে শোনা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর কথায়। এদিনের সভা মঞ্চ থেকে সংখ্যালঘুদের বার্তা দেন শুভেন্দু। বলেন, ‘আপনাদের কাছে সুযোগ এসেছে, আমাদের সঙ্গে থাকবেন কী-না, সেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আপনাদের নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে পরীক্ষা।’