


পূর্বাশা দাস: রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় সিনেমার নন্দনকাননে ভিড়ের মাঝে হঠাৎ হাজির ইন্ডাস্ট্রির ‘জ্যেষ্ঠপুত্র’ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তাঁকে দেখা মাত্রই ঘিরে ধরল জনতা। কিন্তু তারকা হিসেবে নন, সাধারণ দর্শকের মতোই এদিন সিনেমার টানে ছুটে এসেছেন নন্দনে। এমনটাই জানালেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। ৩১তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে এসে স্মৃতির ঝাঁপি উপুড় করলেন প্রসেনজিৎ। প্রসেনজিতের কথায়, ‘এক সময় আমি এই ফেস্টিভ্যালে মাটিতে বসে সিনেমা দেখেছি। কারও অসুবিধা না করে আবার হলে দাঁড়িয়ে সিনেমা দেখতে চাই। আজ থেকে নয় এই ফেস্টিভ্যালের সঙ্গে আমার সম্পর্ক বহু পুরনো। দিন বদলের সঙ্গে সঙ্গে উৎসবের বয়স বেড়েছে, পরিধি বড় হয়েছে। বহু মানুষ ছুটে আসেন এখানে। কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব যথার্থই যেন সিনেপ্রেমীদের উৎসব।’ ‘অরণ্যের দিনরাত্রি’ ছবির পুনরুদ্ধার করা ঝকঝকে সংস্করণ দেখে মুগ্ধ প্রসেনজিৎ। প্রিয়া সিনেমা হলে নবরূপে সত্যজিৎ রায়ের ছবি দেখে প্রসেনজিতের সংযোজন, ‘অরণ্যের দিনরাত্রি নতুন রূপে দেখে আমি মুগ্ধ। এতবার দেখা ছবি কিন্তু তাও নতুন আঙ্গিকে দেখে দারুণ লাগল। বাংলা ছবির জন্য এই রেস্টোরেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় টলিউডের সকলের অভিভাবক। অতীতে চলচ্চিত্র উৎসবের চেয়ারপার্সনের দায়িত্বও সামলেছেন। কিন্তু, এবার সরাসরি দায়িত্বে না থাকলেও জুড়ে রয়েছেন ফেস্টিভ্যালের সঙ্গে। তাঁর কথায়, ‘গৌতমদা ফেস্টিভ্যালের আদর্শ চেয়ারপার্সন। তাঁর মতো সিনিয়র মানুষের কাজের অভিজ্ঞতা অনেক।’