


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: হাইকোর্টে গিয়ে ছাত্র ইউনিয়ন নির্বাচনের তারিখ পাওয়ার কাছাকাছি পৌঁছনো গিয়েছে। কিন্তু সিপিএমের ছাত্র সংগঠনের অন্দরে এখন অন্য প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। ছাত্র সংগঠন নির্বাচন হলে, ক’টা কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রার্থী দিতে পারবে এসএফআই? একদা রাজ্যের শিক্ষাঙ্গনে দাপট দেখানো এই ছাত্র সংগঠন এখন প্রান্তিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে। রাজ্যের অনেক কলেজেই এসএফআইয়ের ইউনিট নেই। এমতাবস্থায় ভোট হলে এসএফআইয়ের জন্য সুখকর হবে না বলেই অনেকে মনে করছেন।
সূত্রের দাবি, ২০১৭ সালে কলেজগুলিতে শেষবার ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়েছিল। ফলে, এখন যেসব পড়ুয়া এসএফআইয়ের সঙ্গে যুক্ত তাঁদের নির্বাচনের অভিজ্ঞতা নেই। নির্বাচন নেই বলে বিরোধী ছাত্র সংগঠনের ছত্রছায়ায় বেশিরভাগ পড়ুয়ারা আসতে চান না। তবুও নির্বাচন হলে সংগঠন চাঙ্গা হবে বলেই তাদের আশা।
এসএফআই রাজ্য সম্পাদক দেবাঞ্জন দে বলছিলেন, ‘এসএফআই নিজে মামলা করেছিল। আজকের হাইকোর্টের রায় সকল শান্তিকামী পড়ুয়ার আংশিক জয়। রাজ্যজুড়ে অর্ধেকের বেশি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে লড়াই করতে পারব। রাজ্যের প্রায় ৭৫ শতাংশ কলেজে এসএফআইয়ের ইউনিট আছে।’ অর্থাত্, রাজ্যের সমস্ত কলেজে যে এসএফআই প্রার্থী দিতে পারবে না, সে-কথা একপ্রকার নিশ্চিত। ‘সংগঠনকে নির্বাচনের পথে নিয়ে যাওয়ার জন্যই আমরা জুলাই মাসজুড়ে কলেজের গেটে পৌঁছনোর চেষ্টা করছি’, বলছিলেন দেবাঞ্জন।
আবার ভোট কীভাবে হবে, সেই নিয়েও চিন্তায় রয়েছে এসএফআই। দেবাঞ্জন বলছিলেন, ‘২০১৭ সালের মতো যদি ভোট হয়, যদি পড়ুয়ারা ভোট না দিতে পারেন, তাহলে যা হওয়ার তাই হবে।’