


ওয়াশিংটন: ‘ইরানের নতুন নেতা কে হবেন, তা আমিই ঠিক করব!’ আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর এমনই কটাক্ষ করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর যুদ্ধের চতুর্থ সপ্তাহে এসে মার্কিন প্রেসিডেন্টের নয়া দাবি, ‘ইরান আমাকেই তাদের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু আমি সবিনয়ে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করি। জানিয়ে দিই, আপনাদের ধন্যবাদ। আমি এটা চাই না।’ এনআরসিসি বার্ষিক নৈশভোজে যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। পাশাপাশি ফের সুর চড়িয়েছেন ন্যাটো শরিকদের বিরুদ্ধেও। নিজের ট্রুথ সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, ‘বর্তমানে সামরিকভাবে বিধ্বস্ত, উন্মাদ রাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে বিন্দুমাত্র সাহায্য করেনি ন্যাটো দেশগুলি। ন্যাটোর কাছ থেকে আমেরিকার কিছুই প্রয়োজন নেই। কিন্তু এই অতি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তটিকে কখনওই ভুলব না!’
ট্রাম্পের দাবি, যুদ্ধে বেহাল ইরান আলোচনায় বসতে মরিয়া। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্টের সেই দাবি খারিজ করেছে তেহরান। ইরান সেনার এক মুখপাত্র ইতিমধ্যেই ট্রাম্পকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্টকে তাঁর ঠেস, ‘আপনি নিজের সঙ্গেই আলোচনা করছেন নাকি? আপনার মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব এই পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে!’ অর্থাৎ ট্রাম্পের মানসিক সুস্থতা নিয়েই কার্যত প্রশ্ন তুলে দেন ইরানের ওই সেনাকর্তা। তারই মধ্যে এবার ট্রাম্পের নয়া দাবি, ইরান নাকি তাঁকেই দেশের নতুন সর্বোচ্চ নেতার পদে বসাতে চেয়েছিল। তা ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই চর্চা তুঙ্গে। পাশাপাশি ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব কেন আলোচনায় বসতে মরিয়া, সেই ব্যাখ্যাও দিয়েছেন ট্রাম্প। বলেছেন, ‘ওরা (ইরান) মনেপ্রাণে চাইছে সমঝোতায় আসতে। কিন্তু প্রকাশ্যে মানতে সাহস পাচ্ছে না।’