


রিয়াধ: ইরানে একযোগে হামলা চালাচ্ছে আমেরিকা ও ইজরায়েল। আর প্রতিনিয়ত যুদ্ধজয়ের দাবি জানাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু ইরান যে পালটা প্রতিরোধ দিয়েছে, তার খবর ধীরে ধীরে সামনে আসছে। ইরানের হামলায় মার্কিন অহমিকা যে ধসে গিয়েছে তার সাম্প্রতিক প্রমাণ সৌদি আরবের রিয়াধে মার্কিন দূতাবাসে ইরানের ড্রোন হামলা। এই হামলায় সিআইএ-এর দপ্তর ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এতদিন সৌদি সরকার জানিয়েছিল, তেমন কিছুই হয়নি। কিন্তু সম্প্রতি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে, ভবনটি প্রায় ধসে গিয়েছে।
ঘটনাটি গত ৩ মার্চের। অর্থাৎ যুদ্ধ শুরুর দিনে তিনেকের মাথায়। সৌদির যাবতীয় নিরাপত্তা উড়িয়ে দিয়ে রিয়াধের মার্কিন দূতাবাসে হামলা করে ইরানের একটি ড্রোন। তখন সময় রাত দেড়টা। সেই হামলায় বড়ো গর্ত হয় ভবনে। ঠিক এক মিনিট পরে দ্বিতীয় ড্রোনের হামলা। একদম একই পথে গিয়ে প্রথম ড্রোনের হামলায় তৈরি গর্ত দিয়ে ভিতরে ঢুকে বিস্ফোরণ ঘঠনায় দ্বিতীয়টি। সৌদি সেদিন দাবি করেছিল, সামান্য ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু এখন জানা যাচ্ছে, রাতেই আগুন ধরে যায় ভবনে। সারা রাত ধরে আগুন নেভানো যায়নি। ভবনটির এতটাই ক্ষতি হয়েছে যে, সেটি আর সারানোর উপায় নেই। এই হামলাটি হয়েছিল, সুরক্ষিত দূতাবাস ও তার মধ্যে থাকা সিআইএ স্টেশনে। সোজা কথায়, ইরান বুঝিয়ে দিয়েছিল, পশ্চিম এশিয়ায় যেখানে আমেরিকানরা নিজেদের সুরক্ষিত মনে করে, সেটি আদতেও নিরাপদ নয়।
শুধু রিয়াধ নয়, বাগদাদ, দুবাই, কুয়েতের মার্কিন দূতাবাসেও ইরান ড্রোন হামলা চালিয়েছিল। এমনকি সৌদির প্রিন্স সুলতান এয়ারবেসে ইরানের হামলায় মার্কিন বিমানবাহিনীর বড়ো ক্ষতি হয়েছিল।