


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: করোনাকাল ছাড়া আর কখনো হয়নি। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের আবহে তাহলে কি রাজকোষের উপর চাপ উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে? কারণ মার্চ মাস শেষ হয়ে গেল। অথচ বছরের প্রথম কিস্তির ডিএ কেন্দ্রীয় কর্মীদের জন্য ঘোষণা করল না মোদি সরকার। তা নিয়ে কেন্দ্রীয় কর্মীদের মধ্যে প্রবল জল্পনা শুরু হয়েছে। তাহলে কি যুদ্ধের কারণে ডিএ আপাতত ফ্রিজ? দুই কিস্তির ডিএ কয়েক মাস পর একসঙ্গে দেওয়া হবে? কারণ সাধারণ নিয়ম হল, সেপ্টেম্বর অথবা অক্টোবর মাসে ঘোষিত হয় জুলাই থেকে ডিসেম্বর মাসের অর্ধবার্ষিক ডিএ। আর জানুয়ারি থেকে জুন এই অর্ধবার্ষিক সময়কালের জন্য ডিএ ঘোষিত হয় মার্চ মাসে। দেওয়া হয় দুই মাসের বকেয়া। মার্চ মাস চলে গেলেও ডিএ ঘোষণা না হওয়ায় এরপর এসংক্রান্ত এরিয়ার বেশি দিতে হবে সরকারকে। কোভিডকালে যে ডিএ স্থগিত রাখা হয়। তারপর আবার তা চালু হলেও সেই বকেয়া আর দেওয়া হয়নি। এই আশঙ্কা তৈরি হলেও সরকারি সূত্রে অবশ্য আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে। সরকারি সূত্রে খবর, চলতি মাসেই ঘোষণা করা হবে ডিএ। এপ্রিল পর্যন্ত বকেয়াও দেওয়া হবে। প্রসঙ্গত ২০২৬ সালের প্রথম কিস্তির ডিএ সম্ভবত হবে ২ শতাংশ। ৫৮ থেকে বেড়ে ৬০ শতাংশ হবে কেন্দ্রীয় কর্মীদের ডিএ। পাশাপাশি কাজ চলছে পে কমিশনের। কর্মী সংগঠনগুলির মধ্যে প্রবল জল্পনা যে, অষ্টম বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী বেতন ৩৪ শতাংশ বাড়তে পারে।