


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: যাদবপুর কাণ্ডের প্রতিবাদ করায় এআইডিএসও’র চার নেত্রীর উপর নৃশংস অত্যাচার হয়েছে। এমনই অভিযোগ উঠেছে মেদিনীপুর কোতোয়ালি থানার ওসির বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবার হাইকোর্টে মামলা দায়ের হল। অভিযুক্ত পুলিস আধিকারিকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ এবং থানার সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের দাবিতে মামলা দায়ের হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ মামলাটি দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন। এর শুনানির সম্ভাবনা সোমবার। অন্যদিকে, হাইকোর্টের নির্দেশে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু এবং প্রাক্তন উপাচার্য তথা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওমপ্রকাশ মিশ্রর বিরুদ্ধে পড়ুয়াদের এফআইআর গ্রহণ করেছে যাদবপুর থানা। তাতে খুনের চেষ্টা থেকে শুরু করে শ্লীলতাহানি পর্যন্ত একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে। যাদবপুর কাণ্ডের তদন্তে রাজ্যপাল একটি কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছেন। আজ, শুক্রবার রাজভবনে এই ব্যাপারে একটি বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে যাদবপুরের উপাচার্য ভাস্কর গুপ্তকে ডাকা হয়েছে। তবে তাঁর চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁর যা শারীরিক পরিস্থিতি তাতে তিনি কোথাও যেতে পারবেন না।
বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের জেনারেল বডির মিটিং শুরু হয়। সন্ধ্যার পরে নিজেদের মধ্যে মারামারিতেও জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। তবে, মোটামুটি সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা বৃদ্ধির দাবি জানানো হবে। এর পাশাপাশি চলবে প্রশাসনের উপর চাপ বৃদ্ধি এবং আন্দোলনকে ক্যাম্পাসের বাইরে আরও ছড়িয়ে দেওয়া ও অভয়া কাণ্ডের সঙ্গে যাদবপুরের ঘটনাকে জুড়ে দিয়ে বিচারে দাবিতে মিছিল।