


নয়াদিল্লি: অপারেশন সিন্দুরে পাকিস্তানে ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে একের পর এক জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় সেনা। জঙ্গি গোষ্ঠী জয়েশ-ই-মহম্মদের মূল আস্তানাও ধ্বংস করা হয়েছে। এবার সেই ঘাঁটি ফের গড়ে তুলতে উঠে পড়ে লেগেছে জঙ্গি গোষ্ঠীর পান্ডারা। জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই বাওয়ালপুরের মূল ঘাঁটি নতুন করে গড়তে গোপনে টাকা পয়সা জোগাড়ের কাজ শুরু করেছে জয়েশ। উর্দুতে লেখা বিবৃতিতে অবশ্য মসজিদ ও মাদ্রাসার পুনর্নির্মাণে সাহায্যের আবেদন জানানো হয়েছে। বাস্তবে এর আড়ালে জঙ্গি শিবির ফের সাজিয়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য।
উল্লেখ্য, ‘জামিয়া মসজিদ সুবহান আল্লাহ’ নামের একটি কমপ্লেক্সের অংশ হিসেবে ছিল জয়েশের ওই ঘাঁটি। জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ, তরুণদের মগজধোলাই কেন্দ্র ও ডেরা হিসেবে ব্যবহৃত হত এই ঘাঁটি। গত ৭ মে পাক অধিকৃত কাশ্মীর ও পাকিস্তানে ন’টি জঙ্গি ধ্বংস করে ভারতীয় সেনা। অপারেশন সিন্দুরে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় জয়েশ-ই-মহম্মদ ও লস্কর-ই-তইবার মতো জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির ঘাঁটি ও লঞ্চপ্যাড। জয়েশ প্রধান মাসুদ আজহারের পরিবারের ১০ সদস্যের মৃত্যু হয়।
তারপর বেশ কিছুদিন কেটে গিয়েছে। এবার পাকিস্তানে নতুন করে জঙ্গি প্রশিক্ষণের কাজও শুরু হয়েছে বলে দাবি ভারতীয় গোয়েন্দাদের। জানা যাচ্ছে, বাওয়ালপুরে জয়েশের পুরনো ঘাঁটিতে ইতিমধ্যেই উঠতি জঙ্গিদের ঠাঁই হয়েছে। পাকিস্তান সরকারের মদতেই তারা এভাবে জঙ্গি কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি।