


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: জেসিটি থেকে মাহিন্দ্রা অ্যান্ড মাহিন্দ্রা। ভারতীয় ফুটবলে দল তুলে নেওয়ার উদাহরণ কম নেই। সেই তালিকায় যুক্ত হল জামশেদপুর এফসি’র। ইস্পাতনগরীর ফ্র্যাঞ্চাইজি দলকে চলতি মরশুমের আইএসএলে দেখা যাবে না। বিবৃতি নিয়ে দল প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছে তারা। সূত্রের খবর, শুক্রবার জামশেদপুর ম্যানেজমেন্টের বোর্ড মিটিংয়ে রীতিমতো ঝড় ওঠে। ফুটবলে কোনওমতেই ইনভেস্ট করতে নারাজ তারা। অথচ দীর্ঘদিন ধরে কোনো স্বার্থ ছাড়াই টাটা ফুটবল অ্যাকাডেমি চালিয়ে এসেছেন। ভারতীয় ফুটবলে একের পর এক তারকা উপহারও দিয়েছিল টাটা অ্যাকাডেমি। কিন্তু ইস্পাতগরীর ফ্র্যাঞ্চাইজি ফুটবল থেকে মুখ ফেরানোয় সবাই অবাক। চলতি মরশুমে জামশেদপুর এফসি অবশ্য ডুরান্ড কাপে অংশ নিচ্ছে। কিন্তু ফুটবলারদের সঙ্গে ২ মাসের চুক্তি। এদিনই ফুটবলারদের ফোন করে আইএসএল থেকে দল তুলে নেওয়ার কথা জানিয়ে দেন সিইও মুকুল চৌধুরি। হতচকিত হয়ে পড়েন ফুটবলারা। সানান, বারলার মতো ফুটবলারদের তুলে এনেছিল জামশেদপুরই। ক্লাব না থাকায় তাদের ভবিষ্যৎও অনিশ্চিত। সাপোর্ট স্টাফদের পরিস্থিতি শোচনীয়। নতুন চাকরি খুঁজতে হবে তাদের। ভারতীয় ফুটবলের করুণ দশা আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল জামশেদপুরের পরিণতি।
এবার আইএসএল আয়োজনের দায়িত্বে ক্লাব জোট। লভ্যাংশ জমা পড়বে ফেডারেশনের তহবিলে। টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য প্রতিটি ক্লাব ও ফ্রাঞ্চাইজির প্রায় ১.৫ কোটি টাকা দেওয়ার কথা। ইন্টার কাশী ও জামশেদপুর এফসি অর্থ দেওয়ার বিষয়ে গড়িমসি চলছিল। ৩১ জুলাই পর্যন্ত সময়সীমা ধার্য করেছিল ফেডারেশন। ইন্টার কাশী টাকা জমা দিলেও জামশেদপুর দলই তুলে নিল।