


নয়াদিল্লি, ১৬ সেপ্টেম্বর: চাকুরিজীবীদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় সরকারের। প্রভিডেন্ট ফান্ডে বড়সড় রদবদলের অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার। এবার থেকে ইপিএফ কভারেজের মাসিক বেতনসীমা ১৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে করা হল ২৫ হাজার টাকা। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ৫১ লক্ষ কর্মী উপকৃত হবেন। তাঁরা এবার সরাসরি সামাজিক সুরক্ষার আওতায় চলে আসবেন। এর আগে ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস নাগাদ এই সীমা বাড়ানো হয়েছিল। তবে এরপর কেটে যাওয়া বেশ কয়েক বছরে দেশে কর্মীদের বেতন, আয়ের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। মনে করা হচ্ছে, এই পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখতেই এবার বেতনসীমা ২৫ হাজার টাকা করার সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। ১২ বছর পর হওয়া নতুন এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে ১৫-২৫ হাজার টাকা মাসিক বেতন পাওয়া কর্মীরা বেশ খানিকটা উপকৃত হবেন বলেই মনে করা হচ্ছে। তাঁরা সামাজিক সুরক্ষার আওতায় যেমন চলে আসবেন। তেমনই তাঁদের অবসরকালীন সঞ্চয়ের পরিমাণও বেশ খানিকটা বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। এতদিন পর্যন্ত কোনও ব্যক্তি ২০ হাজার টাকা বেতন পেলে নিয়োগকারী সংস্থা বাধ্যতামূলক সীমা অনুযায়ী তাঁকে ১৫ হাজার টাকার উপরেই পিএফ দিত। বাকি ৫ হাজার টাকার উপর পিএফ আদৌ দেওয়া হবে কী না তা সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করত ওই সংস্থার নীতির উপর। কিন্তু নতুন এই নিয়মের ফলে কোনও ব্যক্তির বেতন ২০ হাজার টাকা হলে সেই সম্পূর্ণ বেতনের উপরেই পিএফ দিতে হবে সংস্থাগুলিকে।
গত বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে ইপিএফের ক্ষেত্রে আয়ের সর্বোচ্চ সীমা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিলমোহর দেওয়া হয়। এই বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, এর ফলে প্রায় ৫১ লক্ষ কর্মী উপকৃত হবেন। এর জন্য বছরে ১১ হাজার ৩৩৯ কোটি টাকা খরচ হবে সরকারের। বর্তমানে এই খরচ প্রায় ১০ হাজার ২৫০ কোটি টাকা।