


সংবাদদাতা, বনগাঁ: বাগদায় মঙ্গলগঞ্জ নীলকুঠির চারপাশে তৈরি হয়েছে একাধিক কটেজ। সেগুলিতে অসামাজিক কাজকর্ম চলছিল বলে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ আসছিল। শুক্রবার রাতে বনগাঁ মহিলা থানা ও বাগদা থানা যৌথ অভিযান চালিয়ে একটি কটেজ থেকে এক কিশোরীকে উদ্ধার করল। গ্রেপ্তার কটেজের ম্যানেজার। ধৃতের নাম অশোক ওরাং। তাঁর বিরুদ্ধে শিশু শ্রমিক ব্যবহার ও নাবালিকাকে দিয়ে অবৈধ কাজ করানোর অভিযোগে মামলা হয়েছে। শনিবার বনগাঁ আদালত ধৃতকে পুলিস হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। ওই নাবালিকাকে তুলে দেওয়া হয়েছে শিশু সুরক্ষা কমিশনের হাতে।
জানা গিয়েছে, নাবালিকার পরিবারে আর্থিক অনটন আছে। বাবা দেখেন না। মেয়েটি মামা বাড়িতে থাকত। বাগদায় কাজ নিয়েছিল। পাশাপাশি পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছিল। সে খরচ যোগাতে কাজ করত কটেজে। পুলিসের অভিযোগ, নাবালিকাকে দিয়ে অবৈধ কাজ করানো হতো। মঙ্গলগঞ্জের নীলকুঠি বাগদার অন্যতম ঐতিহাসিক জায়গা। বহু পর্যটক আসে। তৈরি হয়েছে একাধিক কটেজ। সেগুলিতে দীর্ঘদিন ধরেই দেহ ব্যবসার আসর সহ একাধিক অবৈধ কাজকর্ম হয় বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। লাগাতার অভিযোগের পর শুক্রবার রাতে পুলিস গোপন সূত্রে খবর পেয়ে একটি কটেজে হানা দেয়। পুলিস জানিয়েছে, নিয়মিত অভিযান চলবে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, ব্যবসা চালানোর জন্য কটেজ মালিকরা নিজেদের মতো করে নীলকুঠির বিকৃত ইতিহাস তৈরি করছে। ফলে হারিয়ে যেতে বসেছে মূল ইতিহাস।