


গরম আর বর্ষা। কলকাতায় নাকি এই দুই ঋতুর প্রভাব বেশি। বাকিদের যাওয়া আসা তেমন কেউ মনে রাখে না। চলতি বছর কিন্তু এই নিয়মের ব্যতিক্রম হয়েছে। শীত সময় নিয়ে শহরে বসত জমিয়েছিল। আবার মার্চেই চৈত্র শেষের ঝড় আর বৃষ্টি দেখল কলকাতা। ফলে এপ্রিলের শুরুতে এখনও প্রত্যাশিত গরম পড়েনি। কিন্তু আবহাওয়ার মর্জি বোঝে সে সাধ্য কার আছে? তাই আসন্ন গ্রীষ্মের জন্য তৈরি হতে হবে। আলমারি জুড়ে সুতির শাড়ির আধিপত্য বাড়বে।
অভিনেত্রী মানালি মনীষা দে বরাবর আরামকে প্রাধান্য দেন। গায়ে লেগে থাকা সুতির শাড়িতে সে আরাম রয়েছে ভরপুর। চতুষ্পর্ণীর ফ্যাশন শ্যুটে গোলাপি রঙের সুতির শাড়ি বেছে নিয়েছিলেন অভিনেত্রী। সুতোর কাজ করা টেম্পল পাড় এবং আঁচলে হলুদ ও গোলাপি সুতোর বল এই শাড়ির বিশেষত্ব। হলুদ ডিজাইনার ব্লাউজ পরেছিলেন তিনি। সঙ্গে গোল্ডেন গয়না।
গরমের দুপুরে কোনো নিমন্ত্রণ থাকলে এই ধরনের শাড়ি পরতে পারেন। বড়ো কানপাশা, হাতে মানতাসা দিয়ে ঘরোয়া লুকে সেজেছেন মানালি। অল্প মেকআপ এবং লাল টিপ তাঁর সৌন্দর্যকে আরও ধারালো করেছে। এই ধরনের একরঙা শাড়ি নানা ধরনের ব্লাউজ দিয়ে ট্রাই করতে পারেন। সাদা, নীল, সবুজের মতো একরঙের ব্লাউজ পরতে পারেন। আবার কলমকারি বা বাঁধনির ব্লাউজ দিয়েও ট্রাই করতে পারেন। আপনার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে কোন সাজ মানানসই, শুধু সেটা বুঝে নিতে হবে।
মানালি নানা ধরনের পোশাকে স্বচ্ছন্দ। কিন্তু শাড়ি তাঁর কাছে অন্য আবেগ। অভিনেত্রীর মা প্রয়াত হয়েছেন বেশ কয়েক বছর আগে। আলমারি খুলে মায়ের শাড়ির গন্ধ নিতে, পরতে দারুণ ভালোবাসেন তিনি। চতুষ্পর্ণীর ফ্যাশন শ্যুটে মায়ের জমিয়ে রাখা শাড়ি এখন নিজে পরার গল্প করছিলেন মানালি। যত সাধারণই হোক, সেই শাড়িতে লেগে আছে মায়ের ছোঁয়া। তাই মায়ের আলমারিতে থাকা সব শাড়ি তাঁর কাছে স্পেশাল। আসন্ন গরমের জন্য সুতির শাড়ি মানালির পছন্দের তালিকার একেবারে উপরে রয়েছে। স্নিকার্সের সঙ্গে শাড়ির ফ্যাশন তাঁর প্রিয়। অল্প গয়না ভালো লাগে অভিনেত্রীর। সাজ পোশাক যেন ব্যক্তিত্বকে ছাপিয়ে না যায়, তা সবসময় মাথায় রেখে চলেন তিনি।
স্বরলিপি ভট্টাচার্য