


ওয়াশিংটন: সোমবার হরমুজের কাছে মার্কিন যুদ্ধকপ্টার অ্যাপাচে ধ্বংস হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের অশান্তি ছড়িয়েছে পশ্চিম এশিয়ায়। আমেরিকার দাবি, ইরানের হামলার জেরেই ধ্বংস হয়েছে অ্যাপাচে। তবে কপ্টারের দুই পাইলট অক্ষত রয়েছেন বলেই স্পষ্ট করেন ট্রাম্প। জানা যায়, সামুদ্রিক ড্রোন বোট, ‘করসেয়ার’-এর সাহায্যে তাঁদের উদ্ধার করা হয়েছিল। এর আগে এই বিশেষ ড্রোন আমেরিকা ব্যবহার করেনি। স্বাভাবিক ভাবেই শুরু হয়েছে চর্চা।
জানা যাচ্ছে, ‘করসেয়ার’ তৈরি করেছে সারোনিক টেকনোলজি নামে টেক্সাসের এক সংস্থা। যার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ভারতীয় বংশোদ্ভূত বৈভব আলতেকর। ড্রোনটি সম্পূর্ণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পরিচালিত। কোনো মানুষের প্রয়োজন নেই চালানোর জন্য। অ্যাপাচের উদ্ধার অভিযান সম্পর্কে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)-এর মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স জানিয়েছেন, সমুদ্রের মাঝে কিছু সমস্যা হয়েছে বোঝামাত্র ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় করসেয়ার। খুব কম সময়ের মধ্যে পাইলটদের উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়। পরে অন্য একটি হেলিকপ্টার তাঁদের তুলে আনে। ২৪ ফুট দীর্ঘ ও ডিজেলচালিত করসেয়ার সর্বোচ্চ ৩৫ নট গতিতে চলতে পারে। ১,০০০ পাউন্ড (৪৫৩ কেজি) পর্যন্ত ভার বহন করতে সক্ষম এই ড্রোন বোট। একটানা ১,০০০ নটিক্যাল মাইলেরও বেশি পথ অতিক্রম করতে পারে। জানা যাচ্ছে, করসেয়ার ড্রোনটি মার্কিন নৌবাহিনীর টাস্ক ফোর্স ৫৯-এর অধীনে মোতায়েন করা হয়েছে। নৌবাহিনীর এই বিশেষ শাখা মানববিহীন অস্ত্র পরিচালনায় দক্ষ। মার্চের শেষে পশ্চিম এশিয়ায় এই টাস্কফোর্স মোতায়েন করেছে আমেরিকা। তবে করসেয়ারকে এই প্রথম ব্যবহার করল মার্কিন সেনা।