


মায়ামি: বার্সেলোনা তাঁর যৌবনের উপবন। তাই এই ক্লাবের প্রতি লায়োনেল মেসির টান সত্যিই অন্যরকম। পেপ গুয়ার্দিওলার প্রশিক্ষণে নিজেকে পরিশীলিত করে তুলেছেন তিনি। পেয়েছেন একাধিক ট্রফি এবং স্বীকৃতিও। তাই কোচ হিসাবে মেসির প্রথম পছন্দ পেপই। তবে ক্লাব ও দেশের জার্সিতে এছাড়াও বহু প্রশিক্ষকের সান্নিধ্য পেয়েছেন এলএমটেন। তালিকায় রয়েছেন ডিয়েগো আর্মান্দো মারাদোনা, জর্জ সাম্পাওলি, ফ্র্যাঙ্ক রাইকার্ড, লুই এনরিক, রোনাল্ড কোম্যানরা। তবে সম্প্রতি মেসি জানিয়েছেন, পেপ গুয়ার্দিওলার পর তাঁর সবচেয়ে পছন্দের কোচ লায়োনেল স্কালোনি। ২০২২ সালে কাতারে তাঁর প্রশিক্ষণেই বিশ্বকাপ জেতে আর্জেন্তিনা। মোক্ষলাভ হয় মেসির। এখানেই শেষ নয়। স্কালোনি-মেসি জুটি দেশকে এনে দিয়েছেন কোপা আমেরিকাও। এ বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত বিশ্বকাপেও ফাইনালে ওঠে মারাদোনার দেশ। তবে শেষ ম্যাচে স্পেনের কাছে বশ্যতা স্বীকার করতে হয় আর্জেন্তিনাকে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মেসি বলেছেন, ‘আমার কেরিয়ারে একাধিক কোচের অবদান রয়েছে। প্রত্যেকের কাছেই আমি কৃতজ্ঞ। বার্সেলোনায় পেপ গুয়ার্দিওলা যেভাবে গাইড করেছেন তা জীবনে ভোলার নয়। বিপক্ষ অনুযায়ী স্ট্র্যাটেজি তৈরি, কোন ডিফেন্স ভাঙার জন্য কী করতে হবে তা পেপের থেকেই শেখা। সবচেয়ে বড়ো কথা, ফুটবলারদের চাপমুক্ত রাখার কৌশল ছিল পেপের ইউএসপি। ওঁর পরেই আমি রাখব লায়োনেল স্কালোনিকে। অনেকে চমকে উঠলেও আমি নিজের বক্তব্য থেকে একচুলও সরব না। মনে রাখবেন, এখনও পর্যন্ত আর্জেন্তিনা তিনবার বিশ্বসেরা হয়েছে। লুই সিজার মেনোত্তি, কার্লোস বিলার্দো এবং স্কালোনি হলেন সেই তিন প্রশিক্ষক। ক্লাব কোচিংয়ে তেমন অভিজ্ঞ না হলেও স্কালোনি আমাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দিয়েছেন। কাতার বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ আমরা সৌদি আরবের কাছে হেরেছিলাম। ড্রেসিং-রুমে ফিরে কোচ বলেছিলেন, ‘এই হারই তোমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে।’ বাস্তবে তাই হয়েছিল।